একজন সাইকোপ্যাথের কবলে গোটা ভারতবর্ষ !


প্রত্যেক সচেতন ভারতীয়দের এই বিষয়টি বুঝতে হবে যে তাদের জন্মভূমি এক গভীর চক্রান্তের শিকার এবং দেশটি পরিচালনা করছে একজন সাইকোপ্যাথ।

 

একজন সাইকোপ্যাথকে চেনার লক্ষণগুলি কি কি ?

 

১। আন্তরিকতা ছাড়াই খুব সহজে এবং কনফিডেন্টলি কথা বলার বৈশিষ্ট রাখে।

 

মন্তব্যঃ লড়েন মুদীর বক্তৃতা শুনে এটাই প্রমাণ হয়।

 

২। নিজের সম্পর্কে বাড়িয়ে বলে, নিজের সম্পর্কে অত্যাধিক উচু ধারণা করে।

 

মন্তব্যঃ লড়েন মুদীর আচার আচরণে সেটাই প্রমাণ হয়।

 

৩। ধূর্ত এবং খুব ম্যানুপুলেটিভ একজন মানুষ। অপরাধমূলক কাজ করার প্রবণতা থাকে।

 

মন্তব্যঃ লড়েন মুদীর আচার আচরণে সেটাও প্রমাণ হয়।

 

৪। অগভীর আবেগ থাকে, অনুতাপ/অনুশোচনা করবার প্রবণতা কম।

 

মন্তব্যঃ লড়েন মুদী ২০০২ সালের গুজরাত গণহত্যায় শহীদ মুসলিমদের ব্যাপারে বলেছিল গাড়ির চাকার তলায় কুকুরের বাচ্চা এসে মরে গেলে যেমন দুঃখ হয়, তাদের জন্য তেমন দুঃখ হয়। এছাড়া নোট ব্যানের সময় প্রায় ২০০ জনের মৃত্যুর খবরেও তার কোন হেলদোল দেখা যায় নি।

 

৫। নিজের কোনো কাজের দায়ভার নিতে অস্বীকার করে।

 

মন্তব্যঃ লড়েন মুদী গুজরাত গণহত্যা, নোট ব্যান ও জি এস টি বাস্তবায়ন এর পরবর্তী সৃষ্ট অবস্থার কোন দায়ভার নেয় নি।

 

একজন গনহত্যাকারী হওয়া সত্বেও লড়েন মুদীর কোন অনুশোচনা নেই। সে ক্রমাগত ভারতীয় মুসলিম, অন্যান্য সংখ্যালঘু ও দলিত হিন্দুদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রচনা করে চলেছে।

 

আমরা ইতিহাসে দেখেছি যে হিটলার কিভাবে উগ্র জাতীয়তাবাদকে সম্বল করে তার নাৎসী পার্টিকে হিংস্র ও মৌলবাদী করে তুলেছিল এবং যার ফলশ্রুতিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি ধ্বংস হয়ে গেল।

 

লড়েন মুদীও আমাদেরকে সেই একই দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে এবং তাতে অনেকটা সফলও হয়েছে।

 

হিটলার ও লড়েন মুদীর উত্থান – মিল রয়েছে অনেক।

 

মিল ১ – লড়েন মুদী কর্পোরেট কোম্পানিগুলিকে প্রাধান্য দেয়। তাদেরকে সব রক সুযোগ সুবিধা দেয় ও উল্টো দিকে সাধারণ জনগণকে নির্যাতন করে নোট ব্যান ইত্যাদি নীতির মাধ্যমে।

 

হিটলারও ঠিক একই নীতি গ্রহণ করেছিল।

 

মিল ২ – লড়েন মুদীর পার্টি ও হিটলারের নাৎসী পার্টি; উভয়ের মূল নীতি একেবারেই এক, উভয়ই মৌলবাদী ও হিংস্র।

 

মিল ৩ – লড়েন মুদী ও হিটলার উভয়ই প্রায় পার্টির ঊর্ধ্বে এবং অত্যন্ত সুকৌশলে তাদের একটা “ Larger than Life” ইমেজ তৈরি করা হয়েছে।

 

মিল ৪ – লড়েন মুদী ও হিটলার; উভয়ের সমর্থকরা দল মত নির্বিশেষে কাউকেই রেহাই দেয় নি যারাই তাদের সমালোচনা করেছে।

 

মিল ৫ – লড়েন মুদী ও হিটলার; উভয়ের জন্য একই রকম শ্লোগান তৈরি করা হয়েছে – “ ঘর ঘর মুদী” ও “হেইল হিটলার”

 

মিল ৬ – লড়েন মুদী বিবাহিত হওয়া সত্বেও ঠিক হিটলারের মতই “অবিবাহিত” হওয়ার একটা ইমেজ তৈরি করেছে।

 

মিল ৭ – লড়েন মুদী ঠিক হিটলারের মতই তার পরিবার পরিজনদের সাথে কোন সম্পর্ক রাখে না।

 

মিল ৮ – লড়েন মুদী ও হিটলার; দুজনেই গনহত্যাকারী।

 

এমন আরও অনেক অনেক মিল দেখানো যাবে তাদের দুজনের মধ্যে।

 

হিটলার যেভাবে জার্মানি ধ্বংস করেছে, লড়েন মুদীও সেভাবে আমাদের দেশকে ধ্বংস করার প্ল্যান করছে। তাকে আটকানো না গেলে দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

 

বাস্তবতা হল এটাই যে, সাইকোপ্যাথরা দেশ ও জাতির ভালর জন্য কিছুই করতে পারে না।

 

প্রত্যেক সচেতন ভারতীয় নাগরিক এটা জানবেন যে লড়েন মুদী কিভাবে একের পর অনৈতিক কাজ করে চলেছে। দেশের সব রকমের প্রতিষ্ঠান সে একের পর এক ধ্বংস করে চলেছে, সে চায় শিক্ষাক্ষেত্র হোক বা ব্যাঙ্ক, অথবা সিবিআই।

 

গত ৫ বছরে লড়েন মুদী ধীরে ধীরে কেড়ে নিয়েছে ভারতীয় নাগরিকদের “ফ্রিডম অফ স্পিচ”। কেউ মুদীর সমালোচনা করলে তার পিছনে লেলিয়ে দেওয়া হয় “আইটি সেল” নামক পোষা কুকুরদের।

 

ইতিহাসের চাকা ঘোরে, যেভাবে হিটলারের দ্বারা জার্মানির দুর্ভাগ্যজনক পরিণতি হয়েছিল; ঠিক সেইরকম কালো ছায়া দেখা যায় এখন ভারতের আকাশে। এটাই সঠিক সময়, আওয়াজ তুলুন, রক্ষা করার চেষ্টা করুন আমাদের প্রিয় দেশ ভারতবর্ষকে।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে