একদিনই লেখালেখি করলে কি নারীর অধিকার, নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে?


‘নারী দিবস’ একদিন হবে কেন? একদিনই লেখালেখি করলে কি নারীর অধিকার, নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে? তা কিন্তু নয়, ৩৬৫ দিনই নারীর মর্যাদা থাকতে হবে। শুধু তাই নয়, আমরা আশা করি পরিবারে, সমাজে, দেশে, পৃথিবীর সর্বত্রই সার্বক্ষণিক নারীরা স্ব-স্ব বৈশিষ্ট্যে উদ্ভাসিত থাকবে। যার যার কর্মক্ষেত্রে নারীর পদচারণা থাকবে স্বাধীন; সমধিকার পূর্ণ।
আল্লাহ পাক তিনি মহিলাদেরকে এমন কতগুলো বৈশিষ্ট্য দিয়ে সৃষ্টি করেছেন যার কারণে পারিবারিক জীবনে পুরুষের তত্ত্বাবধানে থাকা নারীর জন্য নিরাপদ। আর পুরুষরা নারীদেরকে তাদের প্রাপ্য মোহরানা দিয়ে বিবাহ করে এবং তাদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে থাকে। এজন্য পুরুষের তত্ত্বাবধানে থাকা নারীর জন্য কল্যাণকর। তবে আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত ওই ব্যক্তি, যে সবচেয়ে বেশি মুত্তাকী।” আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “পুরুষ তত্ত্বাবধায়ক তার পরিবারের। আর মহিলা তত্তা¡বধায়ক তার স্বামীর ঘরের ও তার সন্তানের।” (বুখারী শরীফ)
আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পুরুষ জাতির কর্ম পরিধি মহিলা জাতির কর্ম পরিধি থেকে পৃথক করে দিয়েছেন। সে মুতাবিক মহিলাগণ বাড়ির ভেতরের জন্য দায়িত্বশীল এবং পুরুষরা বাড়ির বাইরের জন্য দায়িত্বশীল। তবে এখানে এটি বলা হয়নি যে, প্রয়োজন হলে নারীরা ঘর থেকে বের হতে পারবে না। অবশ্যই প্রয়োজনে আপাদমস্তক ঢেকে পর্দাসহ বের হতে পারবে। কাজেই পুরুষ এবং নারী উভয়ই যার যার অবস্থানে অত্যন্ত সম্মানিত ও মর্যাদাবান। সুবহানাল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে