একমাত্র জারজ সন্তানরাই সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধীতা করে


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক-এর খিলাফ কথা বলায় ওলীদ বিন মুগীরার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি  ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি তার কথায় কর্ণপাত করবেন না। সে (ওলীদ বিন মুগীরা) মিথ্যে শপথকারী, অপমানিত, নিন্দাকারী, পরের দোষ বর্ণনাকারী, চোগলখোর, সৎকাজে নিষেধকারী, সীমা লংঘনকারী, পাপিষ্ঠ, বদ চরিত্র এবং অধিকন্তু সে অবৈধ সন্তান।” (পবিত্র সূরা ক্বলমঃ পবিত্র আয়াত শরীফ ১০-১৩)। সুতরাং যে বা যারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সংশ্লিষ্ট কোন বিষয়ে বিরূপ ধারণা পোষণ করবে সে ওলীদ বিন মুগীরার কায়মোক্বাম হবে অর্থাৎ জারজ সন্তান হিসেবে সাব্যস্ত হবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, আল্লাহ পাক তিনি ফযল-করম হিসেবে তাদেরকে যে দ্বীন ইসলাম উনাকে দিয়েছেন এবং রহমত হিসেবে উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠিয়েছেন, সেজন্য তারা যেনো খুশি প্রকাশ করে। এই খুশি প্রকাশ করাটা সবকিছু থেকে উত্তম, যা তারা দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য সঞ্চয় করে।” (পবিত্র সূরা ইউনুসঃ পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৮)। এই আয়াত শরীফ উনার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে খুশি প্রকাশ করার জন্য আদেশ প্রদান করেছেন। সুতরাং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা কুল-কায়িনাতের জন্য ফরযের অন্তর্ভুক্ত। এর বিপরীত যারা করবে অর্থাৎ যারা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতা করবে, বিদায়াত-নাজায়িয ফতোয়া দিবে তারা মুলত নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিরূপ ধারণা পোষণকারী ওলীদ বিন মুগীরার কায়মোক্বাম অর্থাৎ জারজ সন্তান।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে