একমাত্র মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ইয়াতীম খানা ও লিল্লাহ বোডিং যাকাত, উশর, ফিতরা ইত্যাদি যাবতীয় দান-ছদক্বা পাওয়ার প্রকৃত হক্বদার


আজকাল দেখা যায়, মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ব্যতীত অন্যান্য মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীরা একসাথে পড়াশুনা করে, তা’লীম শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। তাদের মধ্যে পর্দা পালনের কোন রকম ব্যবস্থা নেই। অর্থাৎ তারা পর্দা করে না। যেমন পুরুষ শিক্ষক বালেগা ছাত্রীদের সাথে পর্দা করে না তেমনি মহিলা শিক্ষিকা বালেগ ছাত্রদের সাথে পর্দা করে না। আর বালেগ-বালেগা ছাত্র-ছাত্রীরা পাশাপাশি বসে বেপর্দাভাবেই তা’লীম গ্রহণ করে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ইরশাদ মুবারক হচ্ছে-
لعن الله الناظر والمنظور اليه
অর্থ: যে দেখে এবং যে দেখায় উভয়ের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত। অর্থাৎ যারা পর্দা করছে না পুরুষ ও মহিলা তারা মালউন, ইবলীস যেমন মালউন, অভিশপ্ত তদ্রপ যারা পর্দা করে না তারাও অভিশপ্ত।

কাজেই, যারা মালউন বা অভিশপ্ত তাদেরকে কখনোই যাকাত, উশর, ফিতরা দেয়া যাবে না। শুধু কি তাই, পত্রিকার খবরে প্রকাশিত হয়েছে, মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষার সময় পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের লিখিত পাতা গোপন অঙ্গে রেখে নকল করে এবং সেগুলো তারা ইস্তিঞ্জাখানায় ফেলে দিয়ে আসে। নাউযুবিল্লাহ!

এটা চরম ইহানতের শামিল। যেসব মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রী পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের ইহানতের সাথে জড়িত তাদের খাওয়া-পরা, থাকা, বেতন-ভাতা ইত্যাদি যাবতীয় সহযোগিতার জন্য কখনোই যাকাত, উশর, ফিতরা দেয়া যাবে না। তারা কখনোই নেককার পরহেযগার মুত্তাক্বী নয়। তাই সেই মাদরাসার লিল্লাহ বোডিং ও ইয়াতীমখানায় যাকাত উশর ফিতরা ইত্যাদি দান ছদক্বা দিলে তা কখনোই কবুল হবে না। আবার ক্বওমী মাদরাসার বেশ পরিচিত মুরুব্বী আশরাফ আলী থানবী তার আক্বীদা ও বক্তব্য মারাত্মক কুফরী। সে তার “হিফজুল ঈমান” কিতাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইলমে গইব শিশু, পাগল ও পশুর সাথে তুলনা করেছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!

অতএব, আপনি কোথায় এবং কাকে আপনার ফরয ওয়াজিব দান-ছদক্বা দিবেন তা অবশ্যই চিন্তা-ফিকির করে দিতে হবে। আপনার দান-ছদক্বা পেয়ে তারা যদি কুফরী আক্বীদা পোষন করে ও প্রচার করে এবং হারাম নাজায়িয কাজ করে তাহলে সেজন্য আপনাকেও জবাবদিহী করতে হবে।
এ কারণে আমরা সন্দেহাতীতভাবে বলতে চাই, আপনার যাকাত, উশর, ফিতরা ইত্যাদি হক স্থানে এবং প্রকৃত হকদারদের নিকট পৌঁছাতে চাইলে এবং নিশ্চিতভাবে তা কবুল করাতে চাইলে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ লিল্লাহ বোডিং ও ইয়াতীমখানায় তা পৌঁছিয়ে দিন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে