এখনও সংবিধানে রাষ্টধর্ম ইসলাম রয়েছে তাই এই অবস্থা আর যদি সংবিধান থেকে রাষ্টধর্ম ইসলাম তুলে দেয় তখন কি হবে ?


কাফের-মুশরিকরা অজান্তেই সুক্ষ্মভাবে মুসলমানদের ঈমানটা নষ্ট করে দিচ্ছে। মুসলমানরা সেটা ফিকির করে না।  মহান আল্লাহ পাক তিনি  পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
لتجدن اشد الناس عداوة للذين امنوا اليهود والذين اشركوا
মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, হে আমার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন উম্মতদেরকে, তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে কাকে? প্রথম ইহুদী, দ্বিতীয় মুশরিক। এরা তোমাদের বড় শত্রু হবে, মুসলমানদের বড় শত্রু হবে। এই ইহুদী এবং মুশরিকরা এবং এদের যারা সমগ্রোত্রীয় খ্রিস্টান রয়েছে, বৌদ্ধ, মজূসী রয়েছে এই কওমগুলো এরা চায়, মুসলমানদের ঈমানটাকে নষ্ট করে দেয়ার জন্য  এবং সেটাই  করে যাচ্ছে।
মুসলমানরা ভুলেও কিন্তু সেটা ফিকির করেনা। ইহুদী-নাছারা, কাফির মুশরিক এদের ধর্ম কিন্তু তারা ঠিকই পালন করে। আর মুসলমানদের যখন কিছু পালন করার বিষয় আসে, তখন সেখানে তারা বাধা সৃষ্টি করে। নাউযুবিল্লাহ! এরা কিন্তু এদেরটা ঠিকই পালন করে, এই যে পহেলা বৈশাখ আসলো, তারা পূজা করলো ঠিকই, হিন্দুরা পূজা করলো, বৌদ্ধরা পূজা করলো, মজূসীরা পূজা করলো এদেরটা ঠিকই রয়ে গেলো। কিন্তু মুসলমানদের ১লা বৈশাখ পালন করা এবং ১লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে যাওয়া হারাম সেটা কিন্তু কেউ বাধা দিলো না।

মুসলমানরা সেখানে গিয়ে ধুতি পরলো। নাউযুবিল্লাহ! বেপর্দা হলো, গান-বাজনা করলো, হারাম কাজ করলো। তাহলে মুসলমানদের ইসলাম গেলো কোথায়? ইহুদী-নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজূসী মুশরিক তারা তাদের ধর্ম পালন করলো। অথচ মুসলমানগণ তাদের দ্বীন পালন করলো না। তাহলে মুসলমানদের দ্বীন কোথায় গেলো। সেটা কি বাদ দিয়ে দিতে হবে? নাউযুবিল্লাহ!

এখনও  সংবিধানে রাষ্টধর্ম ইসলাম রয়েছে তাই এই অবস্থা আর যদি সংবিধান থেকে  রাষ্টধর্ম ইসলাম  তুলে দেয় তখন কি হবে ?

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে