এটা আবার কেমন সম-অধিকার?


সম-অধিকার নিয়ে এত হইচই। কিন্তু কথিত এই ‘সম-অধিকার’ শুধুমাত্র অমুসলিম-বিধর্মী ও বেপর্দা নারীদের ক্ষেত্রেই কেন বেশি উচ্চারিত হয়। হিন্দুরা পূজা করবে, বৌদ্ধরা ফানুস ওড়াবে, উপজাতিরা বৈসাবি করবে তখনই সম-অধিকারের পতাকাবাহীদের দেখা যায়। তখন দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, যানজট সৃষ্টি করে ম-পে পূজা হতে থাকে। উচ্চ শব্দে ঢোল-তবলা ও উলুধ্বনি হতে থাকে। রং ছিটাছিটি হতে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
কিন্তু যখন মুসলমান নারী পর্দা করতে চায়, তখন নিরপত্তার অজুহাতে তার চেহারা খুলতে বলা হয়, তাকে ছবি তুলতে বাধ্য করা হয়, পর্দা করলে চাকরি হবে না বলা হয়, পর্দা করে পরীক্ষার হলে আসা যাবে না বলা হয়, শ্রেণীকক্ষ থেকে বের করে দেয়া হয়। নাউযুবিল্লাহ!
মুসলমানরা যখন ওয়াজ-মাহফিল করতে চায়, তখন যানজটের অজুহাতে মাহফিল করতে বাধা দেয়া হয়, শহরের বাইরে জনমানবহীন স্থানে মাহফিল করতে বলা হয়, উচ্চ শব্দের অজুহাতে মাইক বন্ধ করা হয়। নাউযুবিল্লাহ!
এটাই কি সম-অধিকার? অথচ এ দেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীই হলো মুসলমান। এই মুসলমানদের টাকাতেই এদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশ-র‌্যাব এরা খেয়ে পরে থাকে। অথচ এইসব নিরাপত্তা বাহিনী মুসলমানদের নিরাপত্তায় ব্যবহৃত হয় না, তারা ব্যবহৃত হয় ১.৫ ভাগেরও কম সংখ্যালঘুদের মূর্তিপূজায়। নাউযুবিল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে