এদের আসল পরিচয় কি আপনার জানা আছে?


১) বঙ্কিমচন্দ্র: আমাদের দেশের পাঠ্যবইগুলোতে তার রচনা থাকবেই। সাথে থাকবে ‘সাহিত্য সম্রাট’সহ আরো নানারকম প্রশংসার ফুলঝুড়ি। অথচ পাঠক! এই বঙ্কিমই হলো সেই ব্যক্তি, যে কিনা তার রচনায় লিখেছে- “..বল হরে মুরারে! হরে মুরারে! উঠ! মুসলমানের বুকে পিঠে চাপিয়া মার! লক্ষ সন্তান টিলার পিঠে।..”।

এছাড়াও সে তার কথিত সাহিত্যের পাতায় পাতায় মুসলমানদেরকে যবন, মেøচ্ছ, অস্পৃশ্য, নারীলোভী, লুণ্ঠনকারী ইত্যাদি বলে তার অন্তরের চরম মুসলিম বিদ্বেষকে প্রকাশ করে গেছে। নাউযুবিল্লাহ!

২) শরৎচন্দ্র: সে তার একটি নিবন্ধে লিখেছে- “মুসলমান যদি কখনও বলে- হিন্দুর সহিত মিলন করিতে চাই, সে যে ছলনা ছাড়া আর কি হইতে পারে, ভাবিয়া পাওয়া কঠিন।”

এটা তো একটি উদহারণ মাত্র। এছাড়াও সে তার বিভিন্ন লেখনীতেই হিন্দুদের পক্ষে ও মুসলমানদের বিপক্ষে বিষেদগার করেছে। নাউযুবিল্লাহ!
৩) লালন ফকির: বাউল লালনকে অনেকে লালন-ফকির বা লালন সাঁই বলে থাকে। আমাদের দেশের বইয়ে তার গানও আছে। সে হিন্দু কায়স্থ পরিবারের ছেলে হলেও ইদানীং অনেকে তাকে মুসলমান বলে অপপ্রচার করে থাকে। অথচ এই লালন সারাজীবন মাদক সেবন করে বেগানা নারী নিয়ে গান-বাজনা করে সময় কাটাতো। সে মুসলমানদেরকে সবসময় ‘যবন’ বলে উল্লেখ করেছে। নাউযুবিল্লাহ!

পাঠক! বর্তমানে যেভাবে ইতিহাসকে বিকৃত করার জোয়ার চলছে তাতে করে এদেশের মুসলমানগণ ‘নিজ দেশে পরবাসী’ করার মতো অবস্থা তৈরি হয়ে গেছে। অথচ এই সমগ্র অঞ্চলে সভ্যতাকে নিয়ে এসেছেন মুসলিমরাই। অথচ আমরা আজ তার বিপরীতটাই শিখছি এবং পড়ছি। তাই প্রকৃত সত্য ও প্রকৃত ইতিহাসকে জানার জন্য এখানে এ সম্পর্কে অত্যন্ত সংক্ষেপে কিছু হিন্টস উল্লেখ করেছি, যাতে করে আপনারা প্রকৃত সত্য জানতে উদ্বুদ্ধ হন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে