এদেশেরই আলো-বাতাসে বড় হওয়া দেশদ্রোহী হিন্দু সম্প্রদায়।


এদেশেরই আলো-বাতাসে বড় হওয়া দেশদ্রোহী হিন্দু সম্প্রদায়। তাদেরই বংশধর হচ্ছে এদেশের বর্তমান হিন্দু জনগোষ্ঠী, যাদেরকে আজ প্রশাসন-পুলিশ-শিক্ষাক্ষেত্রসহ সর্বক্ষেত্রে গণহারে ক্ষমতায়িত করছে বর্তমান সরকার।বাপ-দাদা বংশপরম্পরায় এই সাম্প্রদায়িক হিন্দুরা যে দেশদ্রোহী ও ভারতের দালাল, তা প্রমাণিত ঐতিহাসিক সত্য। কথিত ‘অসাম্প্রদায়িকতা’র ফাঁপা বুলি দিয়ে এই মহাসত্যকে অস্বীকার করা যাবে না। সুতরাং এই হিন্দুদেরকে যদি এদেশের আমলা-সচিব ও নীতিনির্ধারক পদগুলোতে ক্ষমতায়িত করা হয়, তাহলে তারাও তাদের বাপ-দাদাদের দেশদ্রোহিতার ধারাবাহিকতা অনুযায়ী এদেশের বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে পঙ্গু করে দেবে। এদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোতে তারা যোগ্য লোকের নিয়োগকে বাধাগ্রস্ত করবে। সরকারকে কানপড়া দিয়ে আমলা-সচিব পদে নিয়োগকৃত এসব হিন্দুরা এমনসব সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে, যা হবে দেশের জন্য ক্ষতিকর ও আত্মঘাতী।

দেশের শিক্ষাব্যবস্থা দ্বারা মুসলমান পরিবারের সন্তানেরা পরিণত হচ্ছে ইসলামবিদ্বেষী ও আধা হিন্দু আধা নাস্তিকে। মানুষ আজ ভীত-সন্ত্রস্ত এই ভেবে যে, তাদের দেশের স্বাধীনতা থাকবে কিনা? তাদের সন্তানেরা মুসলমান থাকবে কিনা? ইতিহাসের শিক্ষা অনুযায়ী-ই সাম্প্রদায়িক হিন্দুদেরকে এদেশে ক্ষমতায়িত করাটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, বরং তা দেশবিরোধিতা ও নির্বুদ্ধিতার নামান্তর। এই নির্বুদ্ধিতা থেকে বাঙালি মুসলমানকে জাগতে হবে, তাদেরকে বুঝতে হবে- এসব দেশদ্রোহী হিন্দুদের জায়গা এই বাংলাদেশ নয়। সুতরাং আমাদের জন্মভূমি বাংলাদেশ থেকে সাম্প্রদায়িক হিন্দুদেরকে বিতাড়িত করাটাই হবে আমাদের এই দেশ ও জাতিকে বাঁচাবার একমাত্র উপায়।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে