এবার ঝিনাইদহে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অবমাননা ( নাউযুবিল্লাহ)


ঝিনাইদহের গাড়াগঞ্জের মিঞা জিন্নাহ আলম ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক মুরতাদ, নাস্তিক, যবন, যারজ সন্তান শিশির ফিরোজের বিরুদ্ধে শ্রেণীকক্ষে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি করার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মাঝে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এরই মধ্যে শিক্ষক মুরতাদ, নাস্তিক, যবন, যারজ সন্তান শিশির ফিরোজের বিরুদ্ধে কলেজ কর্তৃপক্ষ ১২ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বলে জানা গেছে। এদিকে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে কটূক্তির বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে অভিযুক্তকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র মতে, ঝিনাইদহের গাড়াগঞ্জের মিঞা জিন্নাহ আলম ডিগ্রি কলেজের একাধিক ছাত্র অভিযোগ করে বলেন, বাংলা বিষয়ের শিক্ষক শিশির ফিরোজ কলেজে যোগদানের পর থেকেই ইসলাম ধর্ম, আল্লাহর অস্তিত্ব ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে শ্রেণীকক্ষে আপত্তিকর কথা বলতো।
গত ২২ সেপ্টেম্বর ক্লাসে শিশির ফিরোজ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অবমাননা করে আমেরিকায় তৈরি চলচ্চিত্রের প্রশংসা করে বলেছিলো, ‘হজরত মোহাম্মদ (সা.) একজন প্রতারক। তিনি হত্যাকারী, যুদ্ধবাজ এবং অতিশয় চালাক।( নাউযুবিল্লাহ) কোরআন তাঁর নিজের বানানো গ্রন্থ। আল্লাহ বলে কেউ নেই। নামাজ পড়ে লাভ কী? বোকা লোকরাই নামাজ পড়ে’।( নাউযুবিল্লাহ) উপস্থিত ছাত্ররা তার কথার প্রতিবাদ করলে সে বলে, ‘কোরআনে বলা হয়েছে মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। তোমরা বলত মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব হয় কি করে? তোমরা কি বাঘ বা সিংহের সঙ্গে লড়াই করতে পারবা!’ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে নাস্তিক লালনশিল্পী শিশির ফিরোজ ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন ইবাদত ও প্রথা নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে আসছিলো। সে ক্লাসে এলে ছাত্ররা তাকে সালাম দিতে পারত না। সে সালাম দেয়া নিয়েও ব্যঙ্গ করতো। সালাম দেয়ার শাস্তি হিসেবে ক্লাসে ছাত্রদের দাঁড় করিয়ে রাখতো।
এদিকে নাস্তিক, যবন, যারজ সন্তান শিশির ফিরোজ কর্তৃক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কটূক্তি, মিথ্যা অপবাদ ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে ব্যঙ্গ করার সংবাদ এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার সাধারণ মুসল্লিরা নাস্তিক, যবন, যারজ সন্তান শিশির ফিরোজের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও লিফলেট বিতরণ করেছে। ক্ষুব্ধ জনগণকে শান্ত করতে কলেজ কর্তৃপক্ষ অভিযোগ তদন্তের জন্য ১২ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। অভিযোগ উঠেছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কটূক্তিকারী নাস্তিক, যবন, যারজ সন্তান শিশির ফিরোজ স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল প্রতিবাদকারী ছাত্র ও মুসল্লিদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। জনরোশের ভয়ে অভিযুক্ত নাস্তিক, যবন, যারজ সন্তান শিশির ফিরোজ জনসম্মুখে বের হচ্ছে না বলে জানা গেছে।
তদন্ত কমিটির সদস্য, উমিদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সাদ্দার আলী মোল্লা বলেন, ‘নাস্তিক, যবন, যারজ সন্তান শিশির ফিরোজের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয় জনগণ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। আমি অপরাধীকে যথাযথ শাস্তি প্রদানের আশ্বাস দিয়ে জনগণকে শান্ত করেছি। গঠিত তদন্ত কমিটি কাজ করে যাচ্ছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এ ব্যাপারে মিঞা জিন্নাহ আলম ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কটূক্তি করার অভিযোগ ওঠার পর ২২ সেপ্টেম্বর কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের নিয়ে ১২ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ৪ অক্টোবরের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে কটূক্তির বিষয়টি প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

লিঙ্ক

আসুন আমরা এই মুরতাদ, যবন, নাস্তিক, যারজ সন্তান শিশির ফিরোজকে এই ঘৃণিত কাজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করি। যাতে আর কোন যারজ সন্তান এই ধরনের ঘৃণিত কাজ করার সাহস না পায়।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+