এসব অপকর্ম চললে তাহলেতো চারুকলা ইন্সটিটিউট বন্ধ করে দেয়া উচিত


চারুকলা ইন্সটিটিউট। ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশের মুসলমানের টাকায় পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠানের মূল কাজ কি? মূল কাজ হলো- বাঙালি মুসলমানদের তাহযীব-তমাদ্দুন (মুসলিম সংস্কৃতি) তুলে ধরা। কিন্তু বাস্তব প্রেক্ষাপটে আমরা কী দেখতে পাই?
চারুকলায় এবার মহাধূমধামে আয়োজিত হয়েছে হোলি পূজা। আয়োজকদের ভাষায়- ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এ পূজায় অংশগ্রহণ করেছে। শুধু তাই নয়, স্বরস্বতী পূজাতেও এ ইন্সটিটিউট সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছে। তাদের ভাষায়, এ ইন্সটিটিউটটি অসম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। তাই হোলি- পূজা কিংবা স্বরসতী পূজায় তাদের এত সক্রিয় কার্যক্রম।
কিন্তু চারুকলায় কোনো ইসলামী অনুষ্ঠান পালন হয় বলে তো শুনি নাই। যেমন ধরুন, পবিত্র শবে বরাত, পবিত্র শবে ক্বদর, পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে তো চারুকলার ছাত্রদের ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কোনো কার্যক্রম পালন করতে দেখি না। দুই ঈদে কোনো অনুষ্ঠান করতে দেখি না। মুসলিম কোনো দিবস উৎযাপন করতে এদের কোনোকালেই দেখা যায় না।
তার মানে, এ ইন্সটিটিউটে মুসলমানদেরটা পালন হয় না, কিন্তু অসাম্প্রদায়িকতার দোহাই দিয়ে হিন্দুধর্ম পালন ও প্রচারে ব্যাপক কাজ চলে। অর্থাৎ চারুকলা দীর্ঘদিন যাবৎ অসম্প্রদায়িকতা ও বাঙালি সংস্কৃতির নামে ধোঁকাবাজি করে শুধু হিন্দুধর্মের প্রচার করছে।
তবে চারুকলা এ ধোঁকাবাজিটা বেশি করার সুযোগ পায় পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে। কথিত অমঙ্গল যাত্রার নামে মুসলমানদের হাতে ধরিয়ে দেয় একগাদা হিন্দু মূর্তি। আর কতিপয় অথর্ব মুসলমান হুজুগে মেতে সেগুলো প্রচার করে। সে নিজেও বুঝে না, এ মূর্তি প্রচারের মাধ্যমে সে শিরকী গুনাহে লিপ্ত হচ্ছে, হিন্দুয়ানী পূজায় অংশগ্রহণ করছে এবং ঈমান হারিয়ে জাহান্নামের কীটে রূপান্তরিত হচ্ছে।
আসলে এটা সাংস্কৃতি পালন নয়, বরং সাংস্কৃতিক আগ্রাসন। দালাল মিডিয়ার বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ও হুজুগের দ্বারা যা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ভুলে গেলে চলবে না, আমরা তো মুসলিম বাঙালি, বাঙালি হিন্দু নই। আগে আমি মুসলমান তারপর বাঙালি। আমরা সেই কালচারটুকুই গ্রহণ করবো, যতটুকু ইসলাম অনুমতি দেয়, এর বাইরে সাংস্কৃতির অজুহাতে অন্যধর্মের আচার-প্রথা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।
তাহলে মুসলমানের টাকায় পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠান কি করছে? দেখা যাচ্ছে মুসলমানের টাকায় তারা ইসলামের আদেশ পালন না করে বিজাতীয় কালচারকে পালন করে মুসলমানদেরকে কুফরীতে নিমিজ্জিত করছে। তাহলে এ প্রতিষ্ঠানের থাকার প্রয়োজনীয়তা আছে কি? চারুকলা ইনস্টিটিউট যদি মুসলমানদের সংস্কৃতি ফুটিয়ে না তুলে কাফিরদের সংস্কৃতিতে মুসলমানদের অভ্যস্থ করতে চায়, তাহলে এ প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা দেয়া হোক। মুসলমানের টাকা এমন উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুধর্ম প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না।

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে