এসো হে বৈশাখ আহবান মূলত কাট্টা শিরকী আহবান


আসন্ন ফসলী সনকে কেন্দ্র করে কদিন পরেই কিছু লোক, কতিপয় দল গোষ্ঠি শুরু করে দিবে মাতামাতি। নববর্ষ বড় নিয়ামত, নাউজুবিল্লাহ এমন আজব কুফরী ফতোয়ার কারনে মুসলমান নামধারী অনেককেই দেখা যাবে এ উপলক্ষে কুফরী গান, কুফরী শ্লোগান- এসো হে বৈশাখ বন্দনা করতে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ ঈমানদার দাবীকারী মুসলমানদের জানা নেই এ বাণী বন্দনাটি মূলত কাট্টা মুশরিকদের দেবতা কথিত বিশাখাকে আহবান করেই রচিত। নাউযুবিল্লাহ! একজন মুসলমানের জন্য এমন আহবান করা কাট্টা শিরক ছাড়া আর কিছুই নয়। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় এমন কাজকে জ্ঞানগত শিরক বলে অভিহিত করা হয়। যা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। এ প্রসঙ্গে যিনি খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ اللهَ لاَ يَغْفِرُ أَنْ يُّشْرَكَ بِه وَيَغْفِرُ مَا دُوْنَ ذَلِكَ لِمَنْ يَشَاءُ وَمَنْ يُشْرِكْ بِاللهِ فَقَدِ افْتَرَى إِثْمًا عَظِيْمًا.
অর্থ: ‘নিঃসন্দেহে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সাথে কাউকে শরীক করাকে ক্ষমা করেন না। এ ব্যতীত অন্য সবকিছু, যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন। আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে শরীক করল, বস্তুতঃ সে মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি অপবাদ আরোপ করল’। (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৮)
অতএব, পহেলা বৈশাখ উদযাপনের নামে এমন ভয়াবহ শিরিকী কাজ থেকে সকল মুসলমান ঈমানদার উনাদেরকে বিরত থাকতে হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে