এ পবিত্র মাস উনার প্রথম জুমুয়ার রাত্রটি হচ্ছে ‘পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’


পবিত্র শাহরুল্লাহিল হারাম রজবুল আছম্ম মাস উনার মর্যাদা-মর্তবা বলার অপেক্ষা রাখে না। বছরের যে পাঁচটি রাতে বিশেষভাবে দোয়া কবুল হয় ‘পবিত্র শাহরুল্লাহিল হারাম রজবুল আছম্ম উনার পহেলা রাত্রটি’ সর্বপ্রথম। অতঃপর এ পবিত্র মাস উনার প্রথম জুমুয়ার রাত্রটি হচ্ছে ‘পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’। আর ‘সাতাশ তারিখ রাত্রটি পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার রাত্রি। এসব কারণেই এই মাসের মর্যাদা-মর্তবা বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে। এ মাসেই পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার জন্য আমলের প্রস্তুতি গ্রহণ করা শুরু হয়। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র শাহরুল্লাহিল হারাম রজবুল আছাম্ম মাস উনার চাঁদ দেখে দোয়া করতেন, “আয় মহান আল্লাহ পাক! পবিত্র শাহরুল্লাহিল হারাম রজবুল আছম্ম ও পবিত্র শা’বান মাসে বরকত দান করুন এবং পবিত্র রমাদ্বান শরীফ পর্যন্ত পৌঁছার তাওফীক দান করুন।”
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “পবিত্র শাহরুল্লাহি হারাম রজবুল আছম্ম মাস হচ্ছে বীজ বপনের মাস, পবিত্র শা’বান মাস হচ্ছে পানি সেচ করার মাস এবং পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস হচ্ছে ফসল কাটার মাস। যে ব্যক্তি পবিত্র শাহরুল্লাহিল হারাম রজবুল আছম্ম মাসে ইবাদত-বন্দেগীর বীজ বপন করবে না এবং পবিত্র শা’বান মাসে চোখের পানি দ্বারা তাতে পানি সেচ করবে না; সে কি করে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার রহমত উনার ফসল কাটার আশা করতে পারে?” অর্থাৎ সে ব্যক্তির জন্য রহমত, বরকত, মাগফিরাত, নাজাত হাছিল করা সম্ভব হবে না।
তাই সকল মু’মিন-মুসলমানদের উচিত- এ পবিত্র মাস আসা মাত্রই নিজেদের বদ আমল ও বদ আক্বীদা সব ছেড়ে দিয়ে বাকি জিন্দেগীর জন্য খালিছ তওবা করে বেশি বেশি মহান আল্লাহ পাক উনাকে ডাকা অর্থাৎ ইবাদত-বন্দেগীতে মশগুল থাকা। (আমীন)

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে