ওহাবী, সালাফী, লা’মাযহাবী, দেওবন্দী, তাবলীগী, মওদুদী, জামাতীরা চরম মূর্খ ও জাহিল বলেই…


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহু হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময় মহিলারা মসজিদে গিয়ে জামায়াতে নামায পড়তেন। কিন্তু পরবর্তীতে হযরত উমর ইবনুল খত্তাব আলাইহিস সালাম পর্দার গুরুত্ব ও মহিলাদের ঘরে নামায পড়ার উৎসাহ ও ফযীলতপূর্ণ হাদীছ শরীফ-এর দিকে লক্ষ্য রেখে ইজতেহাদ করতঃ মহিলাদেরকে মসজিদে এসে জামায়াতে নামায পড়তে নিষেধ করে দেন এবং উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা  ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি তা সত্যায়িত করেন। কিন্তু ওহাবী, সালাফী, লা’মাযহাবী, দেওবন্দী, তাবলীগী, মওদুদী, জামাতীরা উনাদের এই ইজমা মানে না। তারা বলতে চায়, নুরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা করতে নিষেধ করেননি তা কেন পালন করা যাবে না? অথচ তারাই আবার রমাদ্বান শরীফ মাসে জামায়াতের সাথে ২০ রাকায়াত খতমে তারাবীহ নামায পড়ে থাকে। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রমাদ্বান শরীফ মাসে জামায়াতের সাথে ২০ রাকায়াত খতমে তারাবীহ নামায পড়েছেন এরকম কোনো দলীল তারা দিতে পারবে না। বরং হযরত উমর ইবনুল খত্তাব আলাইহিস সালাম তিনি ২০ রাকায়াত সুরা তারাবীহ নামায চালু করেন। পরবর্তীতে হযরত যুন নুরাইন আলাইহিস সালাম তিনি ২০ রাকায়াত খতমে তারাবীহ নামায চালু করেন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+