কখন জাগবে জাতির যুবকেরা !


থার্টি ফার্স্ট নাইটে সুলতান সালাহুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কথা খুব মনে পড়েছিলো ।

তিনি বলেছিলেন,

‘যে জাতির যুবকেরা সজাগ হয়ে যায়, কোন শক্তি তাদেরকে পরাজিত করতে পারে না’।

গত রাতের প্রেক্ষাপটে মনে হলো, যে জাতির সন্তানেরা জেগে ঘুমায় , তারা আদৌ  কখনো সজাগ হবে কি? ভয়ে হয়  সব হারিয়ে যাচ্ছে, সব কেড়ে নিচ্ছে শত্রুরা  কখন ঘুম ভাঙ্গবে  জাতির সন্তানেরা ?

তিনি আরো বলেছেন,

তুমি যদি একটি জাতিকে যুদ্ধ ছাড়া পরাজিত করতে চাও , তা হলে সেই জাতির যুবকদেরকে বুদ্ধিবৃত্তিক বিলাসিতায় ডুবিয়ে দাও। দেখবে, তারা এমনভাবে তোমাদের গোলামে পরিণত হবে যে, তারা আপন স্ত্রী-কণ্যা-বোনদেরকে তোমাদের হাতে তুলে দিয়ে গর্ববোধ করবে । ইহুদী-খ্রিষ্টানরা আমাদেরকে এ ধারায়ই ধ্বংস করতে চাইছে’।

বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষনে , ইহুদী-খ্রিষ্টানরা অাজ শতভাগ সফল, পূর্বে ইহুদী-খ্রিষ্টানরা ‍মুসলমান আমীরদের হেরেমে মদ-নারী দিয়ে পাঠাতো অত্যন্ত সংগোপনে।যাতে কেউ আচঁ করতে না পারে, জাতির মোহাফেয আমীর তার ঈমান ও জাতির ভবিষ্যৎ বিক্রি করে গাদ্দারে পরিণত হয়েছে। ।এখন খোলা মাঠে মদ, নারী এনে জোড়সে মিউজিক ছেড়ে এলাকাবাসীদের জানান দিয়ে বেহায়াপণায় ডুবে জাতির ভবিষ্যৎ। পূর্বে হেরেমে যে সব সুন্দরী মেয়ে পাঠানো হতো, তারা সবাই হতো ইহুদী অথবা খ্রিষ্টান ।কিন্তু এখন যেসব মেয়েরা মুসলমান ছেলেদেরকে আমোদ-প্রমোদে ডুবিয়ে রাখে  তারা সবাই মুসলমান  ।  জাতির যুবকদের কাছে প্রশ্ন,  এ লজ্জা কাদের?

সুলতান সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আরো  বলেছেন,

“আমি একথা বলবো না, এই নারী আসক্তি ও মাদকাসক্তি তোমাদের আখিরাত নষ্ট করবে আর মৃত্যুর পর তোমরা জাহান্নামে যাবে। আমি বরং তোমাদের বুঝাতে চাই , এই চারিত্রিক ত্রুটিগুলো তোমাদের জন্য দুনিয়াটাকে জাহান্নামে পরিণত করবে। তোমরা যাকে জান্নাতের স্বাদ মনে করছো , তা মূলত জাহান্নামের আজাব। তোমরা সেই খ্রিষ্টানদের গোলামে পরিণত হবে, যারা তোমাদের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। তোমাদের পবিত্র কুরআনের পাতা অলি-গলিতে উড়বে এবং মসজিদগুলো পরিণত হবে ঘোড়ার আস্তাবলে।

 

ইতিহাসের এক কঠিন ক্রান্তিকালে অবস্থান করছি আমরা। প্রায় হাজার বছর পর উনার প্রতিটি কথা বাস্তবে পরিণত হয়েছে  বরং উনি পরিস্থিতির যে ভয়াবহতা আশঙ্কা করে গেছেন  তার চেয়ে মারাত্মক পরিস্থিতি অতিক্রম করছি আমরা। নিচে সুলতান সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি   উনার একটি নসীহত দেওয়া হলো যা দিশেহারা জাতির জন্য নতুন দিশা,

“তোমরা যদি মযার্দাসম্পন্ন জাতির ন্যায় বেচেঁ থাকতে চাও, তা হলে আপন আদর্শ-ঐতিহ্য ভুলে যেও না। খ্রিষ্টানরা একদিকে তোমাদের উপর অত্যাচার করছে, অন্যদিকে ঘোড়াগাড়ির লোভ দেখাচ্ছে। মনে রেখো, তোমাদের সম্পদ হলো চরিত্র ও ঈমান। ওহে আমার জাতির যুবকগণ!  তোমরা তোমাদের নীতি-আদর্শ রক্ষা করো। নিজেদের নিয়ন্ত্রণ কর”।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে