কথিত আযহারী নামধারী মিজানের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদন্ড


কোনও আলেম উলামা বা ইসলামী আলোচক যখন আলোচনা করবে তখন খেয়াল করতে হবে তার আলোচনায় আমাদের প্রানপ্রিয় রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উনার মহাসম্মানিত পরিবারবর্গ উনাদের সম্পর্কে সে কিভাবে উক্তি করছে বা সম্মান রেখে কথা বলছে কিনা। এটুকু দেখেই বুঝে নিতে পারবেন যে সে কি বাতিল ৭২এ পড়বে নাকি ১দলে।

মনে রাখবেন… মহান আল্লাহ পাক উনাকে নিয়ে মুসলমানদের কারও তেমন কোনও দ্বিমত নাই। বাতিল ৭২দল তৈরিই হয়েছে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সুধারনা ও আদব পোষন করতে না পারার কারনে। কারণ উনি যে আমাদের মতন না, শুধুই নবীদের নবী রসূলদের রসূল, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম… এ ধারনাটাই গ্রহন করতে পারে না। যার কারনে তাদের মধ্যে এত বিভ্রান্তি।

এই যে “আহাযারির” তার কথা ধরলেই বুঝা যাবে যে, সে আমাদের উম্মুল মু’মিনীন আম্মাজান হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সম্পর্কে যে উক্তিটি করলো!!!!! ধরেন তার মা একজন বিধবা ছিলো… আর সেই বিধবাকে একজন বিবাহ করার পরে সেই ঘরে আহাযারির জন্ম হলো। তবে কি সে তার মা সম্পর্কে এসব বিশেষণ ব্যবহার করতে পারতো?

সে যে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উনার পরিবার বর্গের প্রতি সুধারনা ও আদব রাখে না এটাই তার প্রমান। অর্থাৎ সে বাতিল। আর প্রকাশ্যে এ ধরনের বেয়াদবি মুলক উক্তি করার কারনে তাকে অবশ্যই প্রকাশ্যে তওবা করতে হবে নচেৎ ফাসীতে ঝুলানো উচিত।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে