কথিত নূরে মুহাম্মাদী নামের জাল হাদিসের ভয়ংকর ইতিহাস পড়ুন ওহাবী সালাফীদের এই পোষ্টের খন্ডনমুলক জবাব:-(১৬


 

ওহাবী সালাফীদের লিংক:- http://markajomar.com/?p=880
এছাড়াও হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত হাদিস শরীফ খানা যে সর্বোচ্চ স্তরের বিশুদ্ব তা আরেক লানতপ্রাপ্ত মালয়ূন শাইখ আহমাদ গুমারী তার লিখিত কিতাবের বক্তব্য থেকে প্রমাণিত হয়ে যাবে৤ এই কুলাগাং গুমারী ইমাম আল্লামা জালালউদ্দিন সুয়ূতী উনার ‘জামি-সাগীর’ গ্রন্থে বিদ্যমান জাল হাদীস বিষয়ে ‘আল-মুগীর আলাল আহাদীসিল মাউদূআতি ফিল জামিয়িস সাগীর’ নামে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। এ গ্রন্থে কুলাংগার গুমারী এ হাদীসটি প্রসঙ্গে বলেন:
وهو حديث موضوع، لو ذكره بتمامه لما شك الواقف عليه في وضعه، وبقيته تقع في نحو ورقتين من القطع الكبير مشتملة على ألفاظ ركيكة ومعان منكرة
“‘হাদীসটি জাল। যদি পুরো হাদীসটি উলে¬খ করা হয় তবে পাঠক হাদীসটির জালিয়াতি সম্পর্কে কোনো সন্দেহ করবেন না। হাদীসের অবশিষ্ট বক্তব্য বৃহদাকৃতির প্রায় দু পৃষ্ঠা, যার মধ্যে অনেক অসংলগ্ন ফালতু কথা এবং আপত্তিকর অর্থ বিদ্যমান।

অর্থ্যাৎ চরম লানতপ্রাপ্ত মালয়ূন গুমারীর লিখিত কিতাবের মূল বিষয় হলো হয়রত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত হাদিস শরীফ উনার মধ্যে অনেক অসংলগ্ন ফালতু কথা এবং আপত্তিকর অর্থ তথা পবিএ কুরআন শরীফ হাদিস শরীফ উনাদের খিলাফ বক্তব্য বিদ্যমান৤ নাউযুবিল্লাহ৤

এখন বলার বিষয় হলো ওহাবী সালাফীরা যদি তাদের দাবীতে সত্যবাদি হয়ে থাকে তবে তারা হয়রত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্নিত সম্মানিত হাদিস শরীফখানার শুরু থেকে শেষ পর্য়ন্ত কোন ইবারতের মধ্যে অসংলগ্ন, ফালতু কথা ও আপত্তিকর অর্থ বিদ্যমান রয়েছে তা কেন পবিএ কুরআন শরীফ হাদিস শরীফ দিয়ে প্রমান করে উপস্হাপন করে না ? ইনশাআল্লাহ কিয়ামত পর্য়ন্ত কৌশিশ করে ও তারা তা পারবে না৤ সুবহানাল্লাহ৤

মুলত ওহাবী সালাফী সম্প্রদায়ের অন্তরে মহান আল্লাহপাক উনার হাবীব হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি কঠিন বিদ্বেষ আর হিংসা থাকার কারনে এরা মহান আল্লাহপাক উনার হাবীব হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল ছানা ছিফত সংএান্ত উক্ত হাদিস শরীফ উনার বিপরীতে এইরকম জগন্য মিথ্যাচার করে থাকে৤ নাউযুবিল্লাহ৤ এছাড়াও ওহাবী সালাফী এই লানতপ্রাপ্ত গোষ্টির কুলাংগাররা যে মহান আল্লাহপাক উনার হাবীব হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কত বড় মুখালিফ বা বিরোধিতাকারী ও উনার প্রশংসা দেখলেই যে তাদের গা জ্বালা শুরু হয়ে যায় এবং এরা যে চরম মিথ্যাবাদী তা প্রমাণ করার জন্য সেই সম্মানিত হাদিস শরীফখানা উল্রেখ করা হলো ﺭﻭﻯ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﺮﺯﺍﻕ ﺍﺑﻦ ﺍﻟـﻬﻤﺎﻡ ﺍﻟﺼﻨﻌﺎﻧﻰ ﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﺑﺴﻨﻩ ﻋﻦ
ﻣﻌﻤﺮ ﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﺍﻟـﻤﻨﻜﺪﺭ ﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﺪﻋﻦ ﺣﻀﺮﺕ
ﺟﺎﺑﺮ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻻﻧﺼﺎﺭﻯ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ : ﻗﻠﺖ : ﻳﺎ
ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺑﺎﺑﻰ ﺍﻧﺖ ﻭﺍﻣﻰ ﺍﺧﺒﺮﻧﻰ ﻋﻦ ﺍﻭﻝ
ﺷﻰﺀ ﺧﻠﻘﻪ ﺍﻟﻠﻪ ﻗﺒﻞ ﺍﻻﺷﻴﺎﺀ؟ ﻗﺎﻝ : ﻳﺎ ﺟﺎﺑﺮ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﺍﻥ ﺍﻟﻠﻪ
ﺧﻠﻖ ﻗﺒﻞ ﺍﻻﺷﻴﺎﺀ ﻧﻮﺭ ﻧﺒﻴﻚ ﻣﻦ ﻧﻮﺭﻩ، ﻓﺠﻌﻞ ﺫﻟﻚ ﺍﻟﻨﻮﺭ ﻳﺪﻭﺭ
ﺑﺎﻟﻘﺪﺭﺓ ﺣﻴﺚ ﺷﺎﺀ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ، ﻭﻟـﻢ ﻳﻜﻦ ﻓﻰ ﺫﻟﻚ ﺍﻟﻮﻗﺖ ﻟﻮﺡ ﻭﻻ ﻗﻠﻢ
ﻭﻻ ﺟﻨﺔ ﻭﻻ ﻧﺎﺭ ﻭﻻ ﻣﻠﻚ ﻭﻻ ﺳﻤﺎﺀ ﻭﻻ ﺍﺭﺽ ﻭﻻ ﺷﻤﺲ ﻭﻻ ﻗﻤﺮ ﻭﻻ
ﺟﻦ ﻭﻻ ﺍﻧﺲ، ﻓﻠﻤﺎ ﺍﺭﺍﺩ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻥ ﻳﺨﻠﻖ ﺍﻟـﺨﻠﻖ ﻗَﺴّﻢ ﺫﻟﻚ ﺍﻟﻨﻮﺭ ﺍﺭﺑﻌﺔ
ﺍﺟﺰﺍﺀ : ﻓﺨﻠﻖ ﻣﻦ ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻻﻭﻝ ﺍﻟﻘﻠﻢ ﻭﻣﻦ ﺍﻟﺜﺎﻧﻲ ﺍﻟﻠﻮﺡ ﻭﻣﻦ ﺍﻟﺜﺎﻟﺚ
ﺍﻟﻌﺮﺵ، ﺛﻢ ﻗﺴﻢ ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻟﺮﺍﺑﻊ ﺍﺭﺑﻌﺔ ﺍﺟﺰﺍﺀ : ﻓﺨﻠﻖ ﻣﻦ ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻻﻭﻝ
ﺣﻤﻠﺔ ﺍﻟﻌﺮﺵ ﻭﻣﻦ ﺍﻟﺜﺎﻧﻰ ﺍﻟﻜﺮﺳﻰ ﻭﻣﻦ ﺍﻟﺜﺎﻟﺚ ﺑﺎﻗﻰ ﺍﻟـﻤﻼﺋﻜﺔ ﻋﻠﻴﻬﻢ
ﺍﻟﺴﻼﻡ، ﺛﻢ ﻗﺴﻢ ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻟﺮﺍﺑﻊ ﺍﺭﺑﻌﺔ ﺍﺟﺰﺍﺀ : ﻓﺨﻠﻖ ﻣﻦ ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻻﻭﻝ
ﺍﻟﺴﻤﻮﺍﺕ ﻭﻣﻦ ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻟﺜﺎﻧﻰ ﺍﻻﺭﺍﺿﻴﻦ ﻭﻣﻦ ﺍﻟﺜﺎﻟﺚ ﺍﻟﺠﻨﺔ ﻭﺍﻟﻨﺎﺭ، ﺛﻢ
ﻗﺴﻢ ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻟﺮﺍﺑﻊ ﺍﻟﻰ ﺍﺭﺑﻌﺔ ﺍﺟﺰﺍﺀ : ﻓﺨﻠﻖ ﻣﻦ ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻻﻭﻝ ﻧﻮﺭ
ﺍﺑﺼﺎﺭ ﺍﻟـﻤﺆﻣﻨﻴﻦ ﻭﻣﻦ ﺍﻟﺜﺎﻧﻰ ﻧﻮﺭ ﻗﻠﻮﺑﻬﻢ ﻭﻫﻰ ﺍﻟـﻤﻌﺮﻓﺔ ﺑﺎﻟﻠﻪ ﻭﻣﻦ
ﺍﻟﺜﺎﻟﺚ ﻧﻮﺭ ﺍﻧﺴﻬﻢ ﻭﻫﻮ ﺍﻟﺘﻮﺣﻴﺪ ﻻ ﺍﻟﻪ ﺍﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ
ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ. ﺛﻢ ﻧﻈﺮ ﺍﻟﻴﻪ ﻓﺘﺮﺷﺢ ﺍﻟﻨﻮﺭ ﻋﺮﻗﺎً، ﻓﺘﻘﻄﺮﺕ
ﻣﻨﻪ ﻣﺎﺋﺔ ﺍﻟﻒ ﻗﻄﺮﺓ ﻭﻋﺸﺮﻳﻦ ﺍﻟﻔﺎً ﻭﺍﺭﺑﻌﺔ ﺍﻻﻑ ﻗﻄﺮﺓ، ﻓﺨﻠﻖ ﺍﻟﻠﻪ
ﻣﻦ ﻛﻞ ﻗﻄﺮﺓ ﺭﻭﺡ ﻧﺒﻰ ﻭ ﺭﺳﻮﻝ ﻋﻠﻴﻬﻢ ﺍﻟﺴﻼﻡ، ﺛﻢ ﺗﻨﻔﺴﺖ ﺍﺭﻭﺍﺡ
ﺍﻻﻧﺒﻴﺎﺀ ﻋﻠﻴﻬﻢ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻓﺨﻠﻖ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﻦ ﺍﻧﻔﺎﺳﻬﻢ ﺍﺭﻭﺍﺡ ﺍﻻﻭﻟﻴﺎﺀ
ﻭﺍﻟﺴﻌﺪﺍﺀ ﻭﺍﻟﺸﻬﺪﺍﺀ ﻭﺍﻟـﻤﻄﻴﻌﻴﻦ ﻣﻦ ﺍﻟـﻤﺆﻣﻨﻴﻦ ﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻬﻢ ﺍﻟﻰ
ﻳﻮﻡ ﺍﻟﻘﻴﺎﻣﺔ، ﻓﺎﻟﻌﺮﺵ ﻭﺍﻟﻜﺮﺳﻰ ﻣﻦ ﻧﻮﺭﻯ، ﻭﺍﻟﻜﺮﻭﺑﻴﻮﻥ ﻣﻦ ﻧﻮﺭﻯ،
ﻭﺍﻟﺮﻭﺣﺎﻧﻴﻮﻥ ﻣﻦ ﻧﻮﺭﻯ، ﻭﺍﻟﺠﻨﺔ ﻭﻣﺎ ﻓﻴﻬﺎ ﻣﻦ ﺍﻟﻨﻌﻴﻢ ﻣﻦ ﻧﻮﺭﻯ،
ﻭﺍﻟﺸﻤﺲ ﻭﺍﻟﻜﻮﺍﻛﺐ ﻣﻦ ﻧﻮﺭﻯ، ﻭﺍﻟﻌﻘﻞ ﻭﺍﻟﻌﻠﻢ ﻭﺍﻟﺘﻮﻓﻴﻖ ﻣﻦ ﻧﻮﺭﻯ،
ﻭﺍﺭﻭﺍﺡ ﺍﻻﻧﺒﻴﺎﺀ ﻭﺍﻟﺮﺳﻞ ﻋﻠﻴﻬﻢ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻣﻦ ﻧﻮﺭﻯ، ﻭﺍﻟﺴﻌﺪﺍﺀ
ﻭﺍﻟﺼﺎﻟﺤﻮﻥ ﻣﻦ ﻧﺘﺎﺋﺞ ﻧﻮﺭﻯ، ﺛﻢ ﺧﻠﻖ ﺍﻟﻠﻪ ﺣﻀﺮﺕ ﺍﺩﻡ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ
ﻣﻦ ﺍﻻﺭﺽ ﻭﺭﻛﺐ ﻓﻴﻪ ﺍﻟﻨﻮﺭ ﻭﻫﻮ ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻟﺮﺍﺑﻊ، ﺛﻢ ﺍﻧﺘﻘﻞ ﻣﻨﻪ ﺍﻟﻰ
ﺣﻀﺮﺕ ﺷﻴﺚ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻭﻛﺎﻥ ﻳﻨﺘﻘﻞ ﻣﻦ ﻃﺎﻫﺮ ﺍﻟﻰ ﻃﻴﺐ ﺍﻟﻰ ﺍﻥ
ﻭﺻﻞ ﺍﻟﻰ ﺻﻠﺐ ﺣﻀﺮﺕ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻭﻣﻨﻪ ﺍﻟﻰ ﻭﺟﻪ ﺍﻣﻰ
ﺣﻀﺮﺕ ﺍﻣﻨﺔ ﻋﻠﻴﻬﺎ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﺛﻢ ﺍﺧﺮﺟﻨﻰ ﺍﻟﻰ ﺍﻟﺪﻧﻴﺎ ﻓﺠﻌﻠﻨﻰ ﺳﻴﺪ
ﺍﻟـﻤﺮﺳﻠﻴﻦ ﻭﺧﺎﺗﻢ ﺍﻟﻨﺒﻴﻴﻦ ﻭﻗﺎﺋﺪ ﺍﻟﻐﺮ ﺍﻟـﻤﺤﺠﻠﻴﻦ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ
ﻭﺳﻠﻢ . ﻫﻜﺬﺍ ﺑﺪﺍ ﺧﻠﻖ ﻧﺒﻴﻚ ﻳﺎ ﺟﺎﺑﺮ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ. ﺣﺪﻳﺚ ﺻﺤﻴﺢ .-হযরত ইমাম আব্দুর রজ্জাক রহমুতাল্লাহি আলাইহি তিনি সনদ সহকারে বর্ননা করেন যে, তিনি হযরত মুআম্মার রহমুতাল্লাহি আলাইহি উনার থেকে, তিনি হযরত মুনকাদার রহমুতাল্লাহির উনার থেকে, তিনি হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ননা করেছেন হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহ তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি আরজ করলাম ইয়া রাসুলুল্লাহ ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমার পিতা মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক,আমাকে জানিয়ে দিন যে, মহান আল্লাহপাক তিনি সর্বপ্রথম কোন জিনিস সৃষ্টি করেন?তিনি বললেন, হে জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! মহান আল্লাহ পাক তিনি সব কিছুর পূর্বে আপনার যিনি নবী নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার নুর মুবারক সৃষ্টি করেন৤অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার প্রথম সৃষ্টি হচেছন নুরে হাবীবি ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম৤ অত:পর সেই নুর মুবারক আল্লাহপাক উনার কুদরত মুবারকের মধ্যে অবস্থান করছিলেন৤ আর সেই সময় লহ, কলম, বেহেস্ত, দোযখ, ফেরেস্তা, আসমান, যমীন,চন্দ্র, সুর্য, মানুষ ও জ্বিন কিছুই ছিলনা৤

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে