কথিত নূরে মুহাম্মাদী নামের জাল হাদিসের ভয়ংকর ইতিহাস পড়ুন ওহাবী সালাফীদের এই পোষ্টের খন্ডনমুলক জবাব:-(১)


নবম হিজরী সনের মুজাদ্দিদ, শ্রেষ্ট মুহাদ্দিস ও ইমাম আল্লামা জালালুদ্দিন সুয়ূতি রহমতুল্লাহি আলাইহি সহ চার মাযহাব তথা হানাফী, মালেকী, শাফেয়ী, হাম্বলী এই চার মায়হাবের একজন ইমাম মুজতাহিদ ও হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত হাদিস শরীফখানাকে মওজু বা জাল বলে নিই৤ একমাএ ওহাবী সালাফী মতবাদে বিশ্বাসী সৌদি ওহাবীরা, তারও আগে কুলাংগার, মালয়ূন ইবনে তাইমিয়া ও তার অনুসারীরা ব্যাতিত৤ নাউযুবিল্লাহ৤

এছাড়াও নবম হিজরী সনের মুজাদ্দিদ, শ্রেষ্ট মুহাদ্দিস ও ইমাম আল্লামা জালালুদ্দিন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উক্ত হাদিস শরীফখানাকে মওজু বা জাল না বলার কারনে সৌদি ওহাবীদের পা চাটা গোলাম কলাংগার, চরম লানতপ্রাপ্ত শাইখ আব্দুল্লাহ গুমারী তার লিখিত ‘ইরশাদুত তালিবিন নাজীব ইলা মা ফিল মাওলিদিন নাবাবী মিনাল আকাযীব’ বইয়ে ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি উনার মত একজন যুগশ্রেষ্ট ইমাম ও মুজতাহিতকে তিরস্কার করে বলেন,
منها وهو أشهرها حديث: أول ما خلق الله نور نبيك من نوره يا جابر، عزاه السيوطي في الخصائص الكبرى لمصنف عبد الرزاق، وقال في الحاوي … ليس له إسناد يُعتمد عليه. وهذا تساهل كبير من السيوطي، كنتُ أنزهه عنه. أما أولاً: فالحديث غير موجود في مصنف عبد الرزاق ولا في شيء من كتب الحديث. أما ثانياً: فإن الحديث لا إسناد له أصلا. وأما ثالثاً: فإنه ترك بقية الحديث، وهي مذكورة في تاريخ الخميس للديار بكري، ومن قرأها يجزم بأن الحديث مكذوب على رسول الله . وجاء شخص فيلالي من ذرية الشيخ محمد بن ناصر الدرعي، فألف كتاباً … أتى فيه بطامة كبرى! حيث قال في أوله: .. حديث الإمام عبد الرزاق في مصنفه الشهير، عن سفيان بن عيينة، عن زيد بن أسلم أحد أعلام المدينة، عن محمد بن المنكدر شيخ الزهري، عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما … وقد تعجبت من وقاحة هذا الشخص وجرأته، حيث صنع هذا الإسناد الصحيح لحديث لا يوجد في مصنف عبد الرزاق ولا غيره من كتب الحديث المسندة!
“মীলাদ মাহফিলের জাল হাদীসগুলির অন্যতম: ‘হে জাবির আল¬াহ সর্বপ্রথম তোমার নবীর নূর তাঁর নূর থেকে সৃষ্টি করেন। সুয়ূতী খাসাইসুল কুবরা গ্রন্থে বলেন: হাদীসটি মুসান্নাফ আব্দুর রায্যাকে সংকলিত এবং ‘হাবী গ্রন্থে সুয়ূতী বলেন: হাদীসটির নির্ভরযোগ্য কোনো সনদ নেই। এ বক্তব্যটি সুয়ূতীর পক্ষ থেকে বড় রকমের অবহেলা ও ঢিলেমি। সুয়ূতী এতবড় অবহেলা করবেন আমি তা মনে করতাম না। কারণ, প্রথমত: মুসান্নাফ আব্দুর রায্যাক বা হাদীসের অন্য কোনো গ্রন্থে এ হাদীসটি নেই। দ্বিতীয়ত: হাদীসটির একেবারেই কোনো সনদ নেই। তৃতীয়ত: সুয়ূতী হাদীসটির অবশিষ্ট বক্তব্য উল্লেখ করেন নি। (হুসাইন ইবন মুহাম্মাদ) দিয়ারবাকরী (৯৬৬ হি) রচিত ‘তারীখ খামীস’ নামক গ্রন্থে হাদীসটির অবশিষ্ট বক্তব্য বিদ্যমান। যদি কেউ হাদীসে অবশিষ্ট অংশ পাঠ করেন তবে নিশ্চিত হবেন যে, হাদীসটি রাসূলুল্লাহ (সা.)এর নামে জাল করা। শাইখ মুহাম্মাদ নাসির দারয়ীর বংশধর এক ব্যক্তি একটি গ্রন্থ রচনা করে… এতে সে এক ভয়ঙ্কর মহাপাপ করে..। সে বলে হাদীসটি ইমাম আব্দুর রায্যাক সুফইয়ান ইবন উআইনা থেকে, তিনি যাইদ ইবন আসলাম থেকে তিনি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন। … আমি এ ব্যক্তির অসভ্যতা ও দুঃসাহস দেখে অবাক হই! মুসান্নাফ আব্দুর রায্যাক বা অন্য কোনো হাদীস গ্রন্থে যে হাদীসের অস্তিত্ব নেই সে হাদীসের জন্য সে কিভাবে একটি সহীহ সনদ জাল করল!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে