কথিত মে দিবস বা তথাকথিত শ্রমিক দিবস আদৌ শ্রমিক স্বার্থ সংরক্ষণ করেনি বা করতে পারেনি এবং পারবেও না


পবিত্র দ্বীন ইসলাম মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে একমাত্র মনোনীত দ্বীন। আর পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কখনো বিজাতীয় নিয়মনীতি, তর্জ-তরীক্বার কোনোরূপ স্থান নেই। বিধায় মুসলমানগণ কখনো বিজাতীয় রীতিনীতি, তর্জ-তরীক্বায় ১লা মে দিবস বা তথাকথিত শ্রমিক দিবস পালনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে পারে না। এটা পালন মুসলমানগণের জন্য জায়িয নেই। কেননা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে এবং তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।” কথিত মে দিবস বা তথাকথিত শ্রমিক দিবস হচ্ছে সম্পূর্ণই বেদ্বীনি রীতি-নীতি, তর্জ-তরীক্বা।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, যারা মে দিবস পালন করে, তারা সেটা করে থাকে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের নামে। অথচ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে শ্রমিকস্বার্থ বা অধিকার সংরক্ষিত হয়েছে ১৪ শত বছর পূর্বেই। ইবনে মাজাহ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন যে, “তোমরা শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকাবার পূর্বেই তার পারিশ্রমিক দিয়ে দাও।” অর্থাৎ শ্রমিকদের যথাযথ স্বার্থ বা অধিকার আদায়ের ঘোষণা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই দিয়ে দিয়েছেন।
অতএব, দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে চৌদ্দশত বছর পূর্বেই শ্রমিকদের স্বার্থ বা অধিকার সংরক্ষিত হয়েছে, পবিত্র ইসলামই শ্রমিকের স্বার্থ বা অধিকার যথাযথ সংরক্ষণ করেছে এবং তাদের যথাযথ সম্মানও প্রদান করেছে। কিন্তু তথাকথিত ১লা মে তথা মে দিবস বা শ্রমিক দিবস শ্রমিকস্বার্থ আদৌ সংরক্ষণ করেনি বা করতে পারেনি এবং পারবেও না। শুধু তাই নয়, এই পহেলা মে বা শ্রমিক দিবস শ্রমিকের আত্মসম্মান, মর্যাদা দেয়া তো দূরের কথা, বরং বিভিন্নভাবে তাদের হেয় প্রতিপন্নই করেছে।
 
Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে