করোনা ভাইরাস নিয়ে মুসলমানরা কেন এত আতঙ্কিত?


বর্তমানে “করোনা” নামক যে ভাইরাসটি কাফির-মুশরিকদের উপর গযব স্বরূপ নাযিল হয়েছে তা নিয়ে কাফিররা আতঙ্কিত থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এটা নিয়ে মুসলমানদের এত মাথা ব্যথা কেন? কেন তারা এত আতঙ্কিত? এজন্য তারা স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত তো আছেই এমনকি মসজিদ-মাদ্রাসাগুলিও বন্ধ করে দিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ মসজিদ-মাদ্রাসা হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত মুবারক লাভ করার স্থান। এগুলো বন্ধ করার কারণ, তাদের ধারণা হলো, “এটা ছোঁয়াচে রোগ। তাই যেখানে জনসমাগম সেখানে যাওয়া যাবে না, কারো যদি সর্দি- কাশি হয় তার সাথে চলা-ফেরা করা যাবে না, তাদের ব্যবহৃত জিনিস ব্যবহার করা যাবে না, মাস্ক ব্যবহার করতে হবে, সবসময় সাবান, ডেটল বা হেক্সিসল দিয়ে হাত ধুতে হবে ইত্যাদি। সর্দি-কাশির রোগীদের সাথে ছোঁয়া লাগলে তারও এই রোগ হবে।” নাউযুবিল্লাহ! এজন্য তারা রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করে রেখেছে। রাস্তায় যাকেই দেখছে তাকেই হাত ধোয়াচ্ছে।
পাঠক! শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ না ধুয়ে শুধু সাবান দিয়ে হাত ধুলে আর মাস্ক ব্যবহার করলে কি ভাইরাস আক্রমন করতে পারবে না? ভাইরাস কি শুধু নাক আর হাত দিয়েই প্রবেশ করে? বিষয়টি আসলেই হাস্যকর!
অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সংক্রামক বা ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই।” (বুখারী শরীফ)
আর ছোঁয়াচে বিশ্বাস করাটাও এক প্রকার র্শিক। নাউযুবিল্লাহ! কাফির-মুশরিকরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে মুসলমানদের মধ্যে এই শিরকী প্রবেশ করিয়ে দিচ্ছে । নাউযুবিল্লাহ!
আবার বর্তমানে যাদেরই সর্দি-কাশি হচ্ছে তারা ডাক্তারের কাছে গেলেই ডাক্তার তার চেকআপ করা তো দূরের কথা বরং তাকে “করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী” ধারণা করে ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলছে। মারার পরে কেউ কেউ তাদেরকে দাফনও করছে না বরং আগুনে পুড়ে ফেলছে যা হিন্দুদের রীতি। নাউযুবিল্লাহ! এটা আসলেই খুব আশ্চর্যের বিষয় যে, যাদের অনেক আগে থেকেই সর্দি-কাশির সমস্যা তাদেরকেও এই রোগী হিসেবে ধারণা করছে। অথচ সর্দি-কাশি হওয়া সুন্নত আবার গুনাহ-খতাও মাফ হয়। সুবহানাল্লাহ! কিন্তু বর্তমানে এই জ্ঞানহীন মুসলমানরা কাফির মুশরিকদের দেখে এই সম্মানিত সুুন্নত মুবারক উনাকে ছোঁয়াচে বলে আখ্যায়িত করছে। নাউযুবিল্লাহ! আর এই “করোনা” ভাইরাস তো কাফির-মুশরিকদের উপর মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে গযব স্বরূপ। কিন্তু আফসুসের বিষয় হচ্ছে, এই নাদান, বেআকল মুসলমানরা শুধু শুধু এটাকে নিজেদের উপর চাপিয়ে নিয়ে নিজেদের আক্বিদা-আমল নষ্ট করে ফেলছে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ এই সময়ে মুসলমানদের উচিত ছিলো, করোনার ভয়ে ঘরে বসে না থেকে মসজিদে যেয়ে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করা, মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট এই আযাব-গযব থেকে নিজেদের মুক্তির জন্য দোয়া করা, কাফির-মুশরিকদের ধ্বংসের জন্য দোয়া করা, বেশি বেশি মীলাদ শরীফ পাঠ করা, সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ইত্তেবা করা, বেশি বেশি নেক আমল করা এবং এ বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ করা। কিন্তু তারা এগুলো না করে ঘরে বসে থেকে গুনাহ কামাই করছে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে