কলকাতাভিত্তিক ইসলামবিদ্বেষী প্রকাশনাশিল্প, পত্রপত্রিকা ও মিডিয়াকে ফরমালিন দিয়ে তাজা রেখেছে কিন্তু এদেশের মুসলমানরাই!


“একবার নীরদ চৌধুরী তথাকথিত বাংলাদেশ লেখার কারণে ‘দেশ’ পত্রিকা এখানে বন্ধ হয়ে যায়। এতে সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পাক্ষিকে পরিণত হয়। এখন যদি ‘দেশ’ আমরা বাংলাদেশে ঢুকতে না দেই তবে তা মাসিক হবে।”
সাহিত্যিক আহমদ ছফা তার একটি সাক্ষাৎকারে কলকাতা থেকে প্রকাশিত ‘দেশ’ পত্রিকাটি সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ হওয়া নিয়ে উপরোক্ত মন্তব্য করেছিল। উক্ত পত্রিকার একটি লেখায় ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী লেখক নীরদ সি চৌধুরী বাংলাদেশকে ‘তথাকথিত বাংলাদেশ’ বলে বিদ্রুপ করেছিল, যার ফলে পত্রিকাটি এদেশে সরকারিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল সাময়িকভাবে। তাতেই উক্ত ‘দেশ’ পত্রিকার ব্যবসায় এমন ধস নামে যে, তা সাপ্তাহিক থেকে পাক্ষিকে পরিণত হয়।
বিষয়টি নিয়ে ফিকির করলে অনেক কিছুই স্পষ্ট হয়ে উঠে। কলকাতাভিত্তিক কথিত সাহিত্য যে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার চরম বিদ্বেষী, তা নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ নেই। সেই অপ সাহিত্য টিকিয়ে রাখছে কারা? অবশ্যই এদেশের মুসলমানরা। এদেশের মুসলমানরা কলকাতার লেখকদের বইপত্র ও তাদের টিভি চ্যানেল দেখলে রীতিমতো হামলে পড়ে। কিন্তু কলকাতার এসব ইসলামবিদ্বেষী হিন্দুয়ানী সাহিত্য, টিভি চ্যানেল ও পত্রপত্রিকাসমূহের অনেক আগেই মৃত্যু ঘটতো, যদি এদেশের মুসলমানরা সেগুলো ফরমালিন দিয়ে টিকিয়ে না রাখতো।

এখন এদেশের মুসলমানরা যদি কলকাতার পত্রিকা ও বইপত্রসমূহ বয়কট করে, তাহলে তাদের প্রত্যেকটি ইসলামবিদ্বেষী লেখক-সাহিত্যিকদের উঠানে ঘুঘু চরবে। লেখালেখি করে তাদের খাওয়ার আর কোনো উপায় থাকবে না। বিপরীতে তারা যদি কলকাতার লেখকদের লেখা বই এবং তাদের পত্রপত্রিকাগুলো নিজেদের পকেটের পয়সা খরচ করে কেনা অব্যাহত রাখে, সেক্ষেত্রে কলকাতার হিন্দু লেখকদের দ্বারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অবমাননা করে লেখালেখির দায়ভারও এদেশের মুসলমানদের উপরই বর্তাবে। এখন নামায-রোযা না করলেও কিন্তু একজন ব্যক্তি নাজাত লাভ করতে পারে, তবে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম কিংবা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতাকারীদের অর্থ যোগান দিয়ে, তাদের টিকে থাকার বন্দোবস্ত করে কিন্তু কোনো অবস্থাতেই কেউ নাজাত পেতে পারে না।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে