কলঙ্কমুক্ত সংসার সাজাতে নারীদের করণীয়………


আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “আপনারা (মহিলারা) ঘরের প্রকোষ্ঠে অবস্থান করবেন। জাহিলিয়াত যুগের মত নিজেদেরকে প্রদর্শন করবেন না।” এটা মানবজাতির কোন কথা নয় স্বয়ং আল্লাহ পাক উনার বাণী। অথচ নারীরা আজ নিজেদের সৌন্দর্য বিলীন করেছে বেগানা লোকের সামনে! আর আল্লাহ পাক উনার হাবীব বলেন, “যখন নারীদের মাঝে বেপর্দা, বেহায়াপনা, উলঙ্গপনা প্রকট আকার ধারণ করবে, যা বর্তমানে হচ্ছে। এর কারণে দুরারোগ্য ব্যাধি দেখা দিবে।” অথচ নারীরা হচ্ছে সৌন্দর্যের আধার, আর তখনই নারীর মাঝে সৌন্দর্য বিচ্ছুরিত হয়, যখন সে থাকে আবরণে আবৃত। আর এই আবরণই হচ্ছে পর্দা প্রথা, যা নারীর সৌন্দর্যের অন্তর্নিহিত রহস্য- এটা নারীর জন্য ইলাহীর সুমহান নিয়ামত। রহমত ও শান্তির কারণ। আর বেপর্দা হওয়ার কারণে নারীরা হচ্ছে- লাঞ্ছিত, বঞ্চিত, অপমানিত, পদদলিত, মর্যাদাহীন সমাজের ভোগ্যপণ্য। সর্বোপরি তারা নিজেরা নিজেকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে ধ্বংসের অতল গহ্বরে। নারীদের পর্দাহীনতার কারণে সমাজে দেখা দিচ্ছে নানান বিশৃঙ্খলা। যেমন টিজিং, লিভ টুগেদার, পরকীয়াসহ নানান বিজাতীয় সংস্কৃতি। যার কালো থাবা ধ্বংসাত্মক রূপ ধারণ করেছে আমাদের সামাজিক জীবনে। ইদানীং বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা খুললেই দেখা যায় পরকীয়ার কারণে নিজ সন্তানকে হত্যা করে এক মা। অন্যখানে বোন-জামাই ছোট বোনকে বিয়ে করায় বড় বোন দুই সন্তানসহ আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। এসব অনাকাঙ্খিত, কঠিন সামাজিক বিপর্যয়ের একমাত্র কারণই হচ্ছে বেপর্দা আর এসবই বেপর্দার কুফল। আজ নারীরা যদি আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নির্দেশ মুতাবিক জীবন পরিচালিত করে নিজকে হিফাজত করতো, সংসারকে কলঙ্কমুক্ত করে সাজাতো- তাহলে দুনিয়া সুখ-শান্তি, রহমত-বরকতে ভরে যেতো এবং দুনিয়াই হতো জান্নাত লাভ করার মতো।তবে শুধু নারীদেরকে পর্দা করলেই হবে না, পুরুষদেরকেও তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখতে হবে-খারাপ কাজ থেকে বেঁচে থাকতে হবে ।

আজকাল পিতামাতারা বলে থাকে ছেলেমেয়েরা কথা শুনে না-শুনবে কেমনে? তারা কি আল্লাহ্ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ নিষেদ মানেন??? না মানলেতো এটাই স্বাভাবিক যে তাদের ছেলেমেয়েরা তাদের কথা শুনবে না।তাই পিতামাতারা যদি চান উনাদের ছেলেমেয়ে ভালো হতে তাহলে যেন উনারা বেশি বেশি আল্লাহ্ পাক ও উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ নিষেদ মানেন।আর যেহেতু ছেলেমেয়েরা মায়ের কাছে বেশি থাকে,তাই মায়ের প্রভাবটা বেশি পড়ে ছেলেমেয়েদের উপর।তাই মা নেককার হলে ছেলেমেয়ে ভালো হবে এটাই স্বাভাবিক।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+