কলঙ্কিত নারী চরিত্রের পেছনে যেমন নিজেদেরই নির্লজ্জতা দায়ী ঠিক তেমনি লজ্জাহীন পুরুষরাও দায়ী।


কলঙ্কিত নারী চরিত্রের পেছনে যেমন নিজেদেরই নির্লজ্জতা দায়ী ঠিক তেমনি লজ্জাহীন পুরুষরাও দায়ী।

নারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে পণ্য হিসেবে। বিভিন্ন অঙ্গনে নারীদের ব্যবহার করে মপুঁজিপতিরা কোটি কোটি টাকা আয় করছে। পত্রিকার পাতা খুললেই আজো চোখে পড়ে গ্রাম ও শহরে যৌতুকের জন্য নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণ, অমর্যাদাকর হিলা বিবাহ, বাল্যবিবাহ, স্ত্রী নির্যাতন, তালাক প্রভৃতির মাধ্যমে নারী নির্যাতনের অগণিত চিত্র।’ (১৩ই মার্চ ২০১৪: একটি দৈনিক পত্রিকা)

উপরের রিপোর্টের আলোকে বিবেকবান মানুষের কাছে আমাদের প্রশ্ন- কেন নারীদেরকে পণ্য সামগ্রী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে?

পুঁজিপতিরা ভোগ্য সামগ্রী হিসেবে ব্যবহার করছে নারীদেরকে কেন?

বর্তমান সমাজের তথাকথিত বিবেকবান মানুষের কাছে এর সদুত্তর জানা নেই। জানা থাকার কথাও নয়। ‘পণ্যদ্রব্য’ বা ‘পণ্য সামগ্রী’ যা সচরাচর নিত্যদিন ব্যবহার করা হয় আমাদের দৈনন্দিন জীবনে। পোশাক-পরিচ্ছেদ ও পাউডার, লোশন, সাবান, লিপিস্টিক, গহনা ইত্যাদি সামগ্রী বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। আর বিজ্ঞাপনগুলো দেয়া হয় প্রতিটা হারাম কাজের মাধ্যমে। টেলিভিশন, রেডিও, ভিডিও এমনকি বড় বড় দেয়ালে পোস্টার সেঁটে প্রচার করা হয় ওইসব বিজ্ঞাপনগুলো। মেয়েরা এই বিজ্ঞাপন চিত্রগুলোতে প্রায় অর্ধনগ্ন থাকে।

স্বাধীন দেশের স্বাধীন নারী হওয়ার ধ্যান ধারণায় তথাকথিত চরিত্রহীন, লম্পট, বিকৃত রুচির কিন্তু কথিত প্রগতিবাদী দাবিদার পুরুষদের কাছে ভোগ-লালসার শিকার হয়। এর জন্য দায়ী কে? একমাত্র নারী।

এদের খোলামেলা, বেহায়াপনা, বেলেল্লাপনার জীবনযাপনই অন্য দশটা পুরুষকে নষ্ট হতে শেখায়। স্বাধীনতা নয় বরং পরাধীনতাই উক্ত নারীরা বেছে নিয়েছে। বিকিয়ে দিয়েছে স্বেচ্ছায় নারীত্বের মর্যাদা। যার জন্যেই বেড়ে চলেছে লিভ টুগেদার, ঘটছে সম্ভ্রমহরণ, ঘটছে আত্মহত্যা। এ যেন নারীত্বের অধঃপতনের শেষ পর্যায়।

যার মূলে রয়েছে পূজিঁবাদীদের চক্রান্ত, তাদের নোংরা জীবনের সাথে একত্রিত করার এক অভিনব কৌশল। আরো দায়ী করা যায় দেশের প্রতিটা সরকারকে যাদের উত্থানও হয়েছে এবং পতনও হয়েছে। এরপর রয়েছে দেশের তথাকথিত শীর্ষস্থানীয় কথিত দরদী নেতা-নেত্রীবৃন্দ, রয়েছে নায়কেরা সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখোশধারী শিক্ষক এবং শিক্ষিকারা। যারা তথাকথিত শিক্ষাঙ্গনের কলঙ্কস্বরূপ। অফিস-আদালত, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং এনজিও কর্মকর্তাদের মধ্যে অনেকেরই রয়েছে নামসর্বস্ব খ্যাতি। আর তারই সুযোগের সদ্ব্যবহার করছে তারা।

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে