কাকে অনুসরণ করবেন???


ধর্মীয় বিষয়ে কাউকে অনুসরণ করতে চাইলে তাকে প্রথমেই যাচাই করে নিতে হয়। ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে নয় কষ্টি পাথর দিয়ে। আর সেই কষ্টি পাথর হচ্ছে সম্মানিত শরীয়ত তথা কুরয়ান শরীফ,হাদীস শরীফ,ইজমা শরীফ ও ক্বিয়াস শরীফ- এই চারটি উসূলের ভিত্তিতেই যাচাই করতে হয়। আর যাচাই করতেই হবে কেননা তা সম্মানিত শরীয়ত উনারই নির্দেশ। ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা কার কাছ থেকে দ্বীনী ইলিম গ্রহণ করছো তাকে যাচাই করে নাও।”
সাধারণভাবে কোনো টিচারের কাছে পড়তে চাইলে মানুষ আগে জেনে নেয় সে কেমন টিচার,দেখে নেয় সে ভালো পড়ায় কিনা! দুনিয়া হাছিলের যেই পড়াশোনা তাতেই যদি এরূপ যাচাই করে নিতে হয় তবে পরকাল হাছিলের ক্ষেত্রে তা যাচাই করে নেয়া কি আরো অধিক গুরুত্বপূর্ণ নয়!? যেহেতু তা ঈমান ও আমল সম্পর্কিত তাই খুব ভালো করে যাচাই করে নেয়াটা অত্যন্ত জরুরী।
কাউকে ভালো লাগে বলেই যে তাকে অনুসরণ করতে হবে তা নয়,এটা তো নফস। মুসলমান নিজের পছন্দকে প্রাধান্য দিবে না।এখানে আমিত্বের কোনো স্থান থাকলে সেটা দুনিয়াদারীই হবে।আমার ভালো লাগে তাই কুরয়ান শরীফ পড়ি,সারাদিনই পড়ি।এমন না হয়ে, মহান আল্লাহ পাক উনি যেন খুশি হন,কোন ইবাদত করলে বেশি খুশি হবেন সেই চিন্তা করে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দিয়েই আমল করতে হবে।
সুতরাং আলিম যাচাই করতে হবে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার জন্যই।
যে ব্যক্তি ভুল করে তাকে অনুসরণে ঠিকটা শেখা যায় না। তাই তাকেই অনুসরণ করতে হয় যিনি সম্মানিত শরীয়ত উনার পূর্ণ অনুসরণ করেন,হারাম-নাজায়িজ কাজ করেন না তা বড় হোক বা ছোট হোক।সুবহানাল্লাহ!
যিনি বেপর্দা হন না, সবসময়ই উনার অধীনস্থ যারা রয়েছে তাদের নসীহত করেন,যিনি দুনিয়ালোভী নন,মানুষের মাল-সম্পদের প্রতিও লোভ করেন না।
দ্বীন ইসলাম উনার বিষয়সমূহ সহজ কিন্ত অত্যন্ত সূক্ষ্ম। তাই আমাদের একটু হিসেব করে চলতেই হবে।
মহান আল্লাহ পাক যেন আমাদের সকলকেই হক্বানী আলিম উনাদের চেনার তৌফিক দান করেন এবং হক্ব মত ও পথ দান করে ইস্তিক্বামত থাকার তৌফিক দান করেন। আমীন।

Views All Time
2
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে