কাফির মুশরিকদের অনুসরণ বাদ দিয়ে, একজন মুসলমানকে মুসলমানিত্বের উপর দৃঢ় থাকা উচিৎ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা কাফির ও মুশরিকদের অনুসরণ করোনা।”
অথচ এরপরও মুসলমানরা নীরবে কাফিরদের অনুসরণ করতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করে। কিন্তু কোন কাফিররা ভুলেও কখনো কোন মুসলমানকে অনুসরণ করেনা, অনুসরণ করতে চায়ও না। আফসোস এসব নামধারী মুসলমানদের জন্য যারা নিজের খেয়ে নিজের পরে নিজেরটা খরচ করে কাফিরের অনুসরণ করে যায়। এ জাতি তো পরাজিত এমনিতেই হবে। অথচ ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, আমাদের মুসলমানদের সোনালী ইতিহাসের যারা ধারক-বাহক রয়েছেন উনারা ছিলেন নিজ মুসলমানিত্বের উপর ইস্তেকামাত, তথা অটল। যার কারণে কোন কাফির মুশরিক মুসলমানদের উপর কখনো কোন সাহস করতে পারতো না। মুসলমান উনারা উনাদের দ্বীন জাত ঐতিহ্যের উপর মজবুত ছিলেন বলেই উনারা মুষ্টিমেয় কয়েকশত জনই হাজার হাজার কাফিরদের উপর বিজয় লাভ করতেন। সুবহানাল্লাহ!
কিন্তু বর্তমান যুগের যারা মুসলমান তারা নামের মধ্যেই মুসলমানিত্বটা সীমাবদ্ধ রাখতে চায়। কাজে কর্মে পরিচয় দিতে গেলে তাদের হাক্বীক্বী পর্দা করতে হবে, মুখে দাঁড়ি, গায়ে মুসলমানের পোষাক ইত্যাদি রাখতে হবে। কেননা এসব করলে সমাজে অন্য দশজন লোকের সাথে তাল মিলিয়ে চলা সম্ভব না। তাকে ব্যাক ডেটেড, নিরামিশ বা আনস্মার্ট ভাবতে পারে। কিন্তু এসব বললে তো ব্যাক্তিত্বে লাগতে পারে। এই হলো বর্তমান মুসলমানদের চিন্তা ভাবনা। নাউযুবিল্লাহ!
মুলতঃ এ চিন্তা ভাবনা ও বাস্তবের উপর যদি কেউ মৃত্যুবরণ করে পরকালে রয়েছে তার জন্য কঠিন শাস্তি। নাউযুবিল্লাহ!
কাজেই, মুসলমানদের উচিৎ সময় থাকতে তওবা ইস্তেগফার করে হাক্বীক্বী মুসলমানিত্বের উপর দৃঢ় থাকার কোশেশ করা। আর তা কেবল সম্ভব একজন হক্কানী রব্বানী শায়েখ উনার ছোহবত ইখতেয়ার আর বাইয়াত গ্রহণের মাধ্যমে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি সকলকে দ্বীনের ছহীহ সমঝ দান করুন। আমীন!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে