কিছু মজার তথ্য জেনে নিন !!!


** বিজ্ঞানি টমাস আলভা এডিসন অনেক আগে একটি হেলিকপ্টার বানানোর বুদ্ধি করেছিলেন যেটা চলবে বন্দুকের বারূদ দিয়ে। কিন’ তার এই বুদ্ধিটা খুব একটা বুদ্ধিমানের মত ছিল না, কারণ এটা বানাতে যেয়ে তিনি তার পুরো ল্যবরেটরি উড়িয়ে দিয়েছিলেন।:P
** ঘোড়ার বয়স তার দাঁতের সংখ্যা দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
** যারা একসাথে অনেক ডিম পাড়ে তাদের সব ডিম কিন্তু আকারে সমান হয় না ! তাদের প্রতি দশম ডিমটি আকারে বড় থাকে ! অর্থাত্‍ নয়টি ডিম থাকে সমান , কিন্তু ১০ নং ডিমটি আকারে অপেক্ষাকৃতএকটু বড় থাকে !! এটা প্রকৃতির আরো এক বিচিত্র রহস্য ।

**কুমিরের ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয় কিন্তু মজার ঘটনা হল , সদ্য বের হওয়া একটি কুমিরের বাচ্চার আকার হয় ঐ ডিমটার নিজের চেয়ে তিন গুণ বড় ! অর্থাত্‍ একটি কুমিরের বাচ্চা তার শরীরের তিন ভাগের একভাগ আকারের একটি ডিমের খোসার ভেতর লুকিয়ে থাকতে পারে.

** কুমির তাদের চোয়ালের শক্তির কারনে বিখ্যাত। এদের দুই চোয়ালের মাঝের চাপ ক্ষেত্র বিশেষে এক টন! পর্যন্ত হতে পারে। তাছাড়া এরা ইচ্ছা করে কছু পাথর গিলে থাকে যেগুলো এদের পেটে সবসময় অবস্থান করে।এসব পাথর কুমিরদের শারিরীক ভারসাম্য রক্ষা এবং খাবার হজমে সহায়তা করে। আর বলাই বাহুল্য, এদের খাদ্য তালিকা থেকে মাছ, হরিন, জেব্রা, জিরাফ, বন্য গরু এমনকি ছোট কুমিরও বাদ যায় না!

** একটি হামিং বার্ডের ওজন এক টাকার একটি কয়েনের চেয়েও কম। শুধু তাই নয়, হামিং বার্ড ভূমি থেকে উড়ে সোজা উপরের দিকে উঠতে পারে রকেটের মত করে আবার সোজা নিচেও নামতে পারে।প্রতি সেকেন্ডে এরা ১৫ থেকে ৮০ বার এর মত পাখা নাড়তে পারে।আর এর ফলে এরা বাতাসে ভেসে থাকতে পারে ঠিক হেলিকপ্টার এর মত। আরেকটি বিশেষ ক্ষমতা হলো এরা পিছন দিকে উড়তে পারে, যেটি আর কোন পাখি পারে না।

** লাল পিঁপড়া বা বিষ পিঁপড়া (Fire Ant) নামে পরিচিত এক পিঁপড়াদের একটি প্রজাতিতে রয়েছে চরম একতা । একটি পিঁপড়া সহজেই পানিতে ডুবে যেতে পারে। তবে তারা দলবদ্ধ হয়ে পানিতে অনায়াসে ভেসে থাকতে পারে। বন্য জলোচ্ছ্বাস বা যে কোন কারনে তাদের ঘর বাড়ি ভেসে গেলে তারা খুব দ্রুত একে অপরের সাথে তাদের পা দিয়ে একটি জালের মতো অবস্থান তৈরী করে। যাতে করে কেউই ডুবে মারা যায় না। এমনকি সবার নিচে যে পিঁপড়াটি থাকে তারও কোন সমস্যা হয় না।

জার্জিয়া ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজীর এমলট কিছু পিঁপড়ার উপরে পর্যবেক্ষণে বিষয়টি নিশ্চত হন।

** এক পাউন্ড খাবার তৈরি করতে গাছের প্রায় ১০০ পাউন্ড বৃষ্টির পানি খরচ করতে হয়।

** সাপ হচ্ছে একমাত্র সত্যিকারের মাংসাশী প্রাণী। কারণ অন্য প্রাণীরা কিছু না কিছু উদ্ভিদ জাতীয় খাবার খেলেও সাপ কখনোই তা করে না।

** নীল তিমিই প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে জোরে শব্দ করতে পারে। পরস্পর ভাববিনিময়ের সময় ওরা যে শিস দেয়, সেটা ৫৩০ মাইল দূর থেকেও শোনা যায়।

** স্যান্ড বারলার ক্র্যাব (এক প্রকার কাঁকড়া) তার পা দিয়েই বিশেষভাবে নিঃশ্বাস নেয়। কারণ ওর নাক নেই।
এরকম আরো মজার বিষয় জানতে আমাদের সাইট থেকে ঘুরে আসুন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+