কুফরী বিজড়িত অন্তরই বিশুদ্ধ বিষয় নিয়ে চু-চেরা করে


চোখে যে রংয়ের চশমা পড়া হয়, প্রকৃতির রংটা তাদের কাছে সেই চশমার রংয়েই রূপান্তরিত হয়। ঠিক তেমনি যাদের অন্তরে কুফরী বিদ্যমান, যারা বিশুদ্ধ আকীদার নয় এবং যারা বাতিল ফিরকার অন্তর্ভূক্ত তাদেরকেই দেখা যাচ্ছে প্রতিষ্ঠিত বিশুদ্ধ বিষয়গুলো নিয়ে চু-চেরা করছে, বিতর্কের জম্ম দিচ্ছে। তাদের শিক্ষা, সংসর্গ এবং চিন্তাচেতনার মধ্যে শয়তানী ওয়াসওয়াসা বিদ্যমান থাকায় তাদের দৃষ্টিভঙ্গিটাই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সম্পর্কিত বিশুদ্ধ আকীদার খিলাফ তৈরী হয়েছে।
এভাবে বাতিল ধারণার দ¦ারা প্রভাবিত হয়েই কিছু লোক এই যামানায় বের হয়েছে যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তারা বলে থাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ নয়। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ পবিত্র ছহীহ হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে যে, হযরত জাবির ও হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা উনারা বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্রতম বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন ‘হস্তিবর্ষের পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ; যা বার হিসেবে ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার)।” সুবহানাল্লাহ!
অনুরূপ বর্ণনা ‘বুলুগুল আমানী শরহিল ফাতহির রব্বানী’, ‘আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া’, ‘সীরাত-ই-হালবিয়াহ’, ‘যুরক্বানী আলাল মাওয়াহিব’, ‘মাছাবাতা বিস সুন্নাহ’ ইত্যাদি নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহেও উল্লেখ আছে। সমস্ত ইমাম মুজতাহিদ, আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম সীরাত গ্রন্থাকার ও ঐতিহাসিক উনাদের মতও এটাই। আর সেই মুবারক সময়টা ছিল ছুবহে ছাদিক উনার সময়। সুবহানাল্লাহ!
অতএব প্রতিষ্ঠিত এই মতের খিলাফ যারা বলবে তাদের কথা শোনা যাবে না, মানা যাবে না এবং তাদের কথার উপরে আমল করা যাবে না। তারা বাতিল ৭২ ফিরকার অন্তর্ভুক্ত। তাদের কথা শুনলে, মানলে বা তাদেরকে অনুসরণ করলে সরাসরি জাহান্নাম ছাড়া দ্বিতীয় কোন পথ থাকবেনা। নাউজুবিল্লাহ।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে