কুরবানীর বিরোধিতাকারীরা মুরতাদের অন্তর্ভুক্ত


সম্মানিত কুরবানী মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে ঘোষিত বিধান। হযরত আবুল বাশার আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার থেকে শুরু করে আখিরী নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত সকল যুগের উম্মতের জন্য সম্মানিত কুরবানী উনার আদেশ মুবারক করা হয়েছে। মহান আল্লাহ উনার বিধান তথা হুকুম বা আদেশ মুবারক পালন করা বান্দা-বান্দী তথা কায়িনাতবাসীর জন্য অপরিহার্য্য কর্তব্য। উনার বিধান বা আদেশ মুবারক উনার বিরোধিতা করা কুফরী।

মুসলমান হয়ে, মুসলমান পরিচয় দিয়ে মুসলমান দাবী করে যে বা যারা কুফরী করে সে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও সম্মানিত মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে মুনাফিক ও মুরতাদে পরিণত হয়। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ফায়ছালা অনুযায়ী মুরতাদের সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে যায়, হজ্জ করে থাকলে তাও বাতিল হয়ে যায়, বিবাহ করে থাকলে তা বিচ্ছেদ বা ভঙ্গ হয়ে যায় এবং এ অবস্থায় আহিলয়া বা স্ত্রীর সাথে ঘর সংসার করা হারাম হয়ে যায়। এ অবস্থায় সন্তান হলে সে অবৈধ সন্তান হয়, তার ওয়ারিছসত্বও বাতিল হয়ে যায়। মুরতাদের তওবার জন্য সময়সীমা তিনদিন। তিনদিনের মধ্যে তওবা না করলে খিলাফত ব্যবস্থাপনায় তার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদ-। মুরতাদ মারা গেলে তার গোসল, কাফন, দাফন, জানাযা কোনটিই দেয়া জায়িয নেই বরং তাকে মৃত কুকুর শৃগালের ন্যায় গর্তে পুঁতে রাখার বিধান। শুধু তাই নয়, যে তার গোসল, জানাযা, দাফন, কাফন কাজে শরীক হবে তার প্রতিও মুরতাদের হুকুম বর্তাবে। নাউযুবিল্লাহ!

অতএব, কুরবানী ও কুরবানীর ন্যায় অনুরূপ সম্মানিত বিধানের বিরোধিতা করা থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে