‘কুরবানীর হাট কমানো ও শহরের বাইরে নেয়া’ এটা মূলত কুরবানী বন্ধ করার ষড়যন্ত্র


এ দেশে হিন্দুয়ানী চেতনাকে প্রবেশ করানোর প্ল্যান নিয়ে মাঠে নেমেছে ভারতীয় মুশরিক গোষ্ঠি। এই মুশরিক গোষ্ঠির পক্ষ হয়ে এদেশে তাদের কিছু এজেন্ট কাজ করে যাচ্ছে। এ মুনাফিকদের প্রধান কাজ হলো- এ দেশের মুসলমানদের দ্বীনি তথা ইসলামী নিদর্শনগুলি সম্পর্কে অপপ্রচার চালিয়ে মুসলমানদের ঈমানী চেতনা বিনষ্ট করা ও মুসলমানদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা। নাউযুবিল্লাহ!
হাটের সংখ্যা কমিয়ে কুরবানীর হাট শহরের বাইরে নেয়া, জবাইর জন্য স্থান নির্দিষ্ট করা; এসব নিয়ে প্রশাসনের মধ্যে কলকাঠি নাড়ছে এরাই। অথচ সরকার প্রতিটি মহল্লায় মহল্লায় খেলার মাঠ করার ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিটি রাস্তার মোড়ে মোড়ে মার্কেট তৈরির সুযোগ করে দিচ্ছে। বিপরীতে সরকার মুসলমানদের কুরবানী সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে দূরে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। নাউযুবিল্লাহ!
যেহেতু পবিত্র কুরবানী হলো দ্বীন ইসলাম উনার এমন একটি নিদর্শন ও বিধান যা কিনা সর্বপ্রথম নবী হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার থেকে শুরু করে সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সকলের মাঝে জারি ছিলো। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র কুরবানীর গুরুত্ব সম্পর্কে হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যে ব্যক্তি সামর্থ্যবান হওয়ার পরও কুরবানী করবে না, যে যেন ঈদগাহেও না আসে।” নাউযুবিল্লাহ!
দ্বীন ইসলাম উনার এই অন্যতম বিধি বিধান বাংলাদেশের কোটি কোটি মুসলমানরা অত্যন্ত জওক শওক ও আনন্দ-তৃপ্তির সাথে পালন করে আসছেন। কুরবানীর পশু কেনা, জবাই করা, গোশত কাটা, বণ্টন করা এগুলো আমাদের দেশের ঐতিহ্যের একটি অংশ হয়ে আছে।
এরপরও যারা এদেশে কুরবানী নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, মুসলমানদেরকে হয়রানি ও পেরেশানীতে ফেলার চেষ্টা করছে তাদের জানা উচিত- পবিত্র কুরবানী মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন মুবারকের অন্তর্ভুক্ত। তাই এই কুরবানী নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে তাদের প্রত্যেকের জন্যই অপেক্ষা করছে গৌড় গোবিন্দের মত করুণ পরিণতি। অতএব সমূলে উৎপাটিত হওয়ার পূর্বেই সমস্ত কুফরী সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে খালিছ তওবা ইস্তিগফার করাই উত্তম।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে