কুরবানী সংক্রান্ত চক্রান্তের প্রতিবাদ করুন


গোশত খাওয়ার জন্যই ঈদুল আযহা দেয়া
হয় নাই…
পবিত্র ঈদুল আযহা মহান আল্লাহ পাক
উনার পক্ষ থেকে বান্দার জন্য নিয়ামত
প্রাপ্তির বিশেষ দিন,তাক্বওয়া
হাছিলের,সন্তুষ্টি হাছিলের বিশেষ
উপলক্ষ। সুবহানাল্লাহ!!! সুতরাং এ দিবস
আমাদের জন্য নিয়ামতপূর্ণ। তাই
কোনোভাবেই হেলাফেলা
করা,কুরবানী নিয়ে অপপ্রচার
করা,কুরবানীর পশুকে হেয় করা কারো
জন্য জায়িজ হবে না।
যেহেতু কুরবানীর দিনে মহান আল্লাহ
পাক উনার নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় আমল
হচ্ছে কুরবানী করা সেহেতু প্রত্যেক
ব্যক্তিমাত্রই উচিত হবে যেভাবেই
সম্ভব কুরবানীতে শরীক থাকা…
সারা বছরই আমাদের দেশে গরু জবাই
হয়ে থাকে,মানুষ গোশত খেয়ে থাকে।
কিন্তু পবিত্র কুরবানী সারাবছর করা
যায় না।
কাজেই হায়াতে থাকা অবস্থায় ঈদুল
আযহা পেলে ১০/২৫জন মিলে হলেও
কুরবানী দিন। এতে আল্লাহ পাক উনার
সন্তুষ্টি হাছিল সহজ হবে…
আর আমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত।আমাদের জন্য
শ্রেষ্ঠত্ব দেয়া হয়েছে সেজন্য
আমাদের করণীয় কি??
আমাদের করণীয় হচ্ছে নেক কাজে
সহায়তা করা এবং পাপ কাজে বাধা
দেয়া।
তাই মুসলমান হিসেবেই আমাদের
কুরবানী করা যেন সহজ হয় সে বিষয়ে
খেয়াল রাখা,আলোচনা করা যেমন
দায়িত্ব তেমনি কুরবানী বিরোধী
চক্রান্তগুলো নিয়েও প্রতিবাদ করা
আমাদের উপর ফরয,সরকারের উপরও ফরয।
এমন কোনো পদক্ষেপ কোনো মুসলমানের
জন্য নেয়া জায়িজ হবে না যার
কারণে অন্য কোনো মুসলমানের ইবাদত
তথা কুরবানী করতে কষ্ট হয়।
হাট দূরে দূরে দেয়া,নির্দিষ্ট জায়গায়
কুরবানী করতে বলা সবই ইবাদতে
ব্যাঘাত সৃষ্টি ছাড়া আর কিছুই না!
নেককাজে এরূপ বাধা/কষ্ট দেয়াটা
জুলুম হবে এবং যারা দিবে তারা
জালিম হিসেবে সাব্যস্ত হবে।
আর জালিম জান্নাতে যাবে না…
কাজেই কুরবানী বিরোধী কোনো
চক্রান্ত যারাই করবে তাদের উচিত
হবে দ্রুত তওবা করে নেকীতে সহায়তা
করা,হাটের
সংখ্যা বৃদ্ধি করা,কুরবানী সংক্রান্ত
অপপ্রচারকারীদের শাস্তির ব্যবস্থা
করা।
হতে পারে, কুররবানীর এতোটুকু সম্মান
করার কারণেও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর
জান্নাত হয়ে যেতে পারে!
মহান আল্লাহ পাক সকলকেই নেককাজে
সহায়তা ও পাপ কাজে বাধাদানের
এবং পবিত্র কুরবানী করার যেন
তৌফিক দান করেন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+