কুরয়ান শরীফ তিলাওয়াতের ফযীলত


‘জামেউল হেকায়েত’ কিতাবে বর্ণিত আছে… ফেলে আসা দিনগুলোর কোনো একসময়ে এক লোক দুশ্চরিত্রের কর্ণধার ছিলো। মুসলমানগণ তার দুশ্চরিত্রের জন্য তাকে ঘৃণা করতো এবং সবসময়ই সংশোধন হওয়ার জন্য উপদেশ দিতো। কিন্তু সে কোনো উপদেশই মানতো না। সে মারা গেলে লোকগণ তাকে স্বপ্ন দেখলো, সে উত্তম পোশাকে সজ্জিত,মাথায় তাজ এবং ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের উপর আদেশ হয়েছে তাকে বেহেশতে নিয়ে যাওয়ার জন্য। জিজ্ঞেস করা হলো,তুমি তো ফাসেক ছিলে তোমার এ উচ্চ সম্মান কি করে লাভ হলো? জবাবে,সে বললো,আমি চলার পথে কোথাও যদি কোরয়ান শরীফের পাতা পড়ে থাকতে দেখতাম সেটাকে তুলে নিতাম এবং অত্যন্ত আদবের সাথে দেখতাম। মহান আল্লাহ পাক আমাকে তার প্রতিদান হিসেবে এ মর্যাদা দান করেছেন। অর্থাৎ কুরয়ান শরীফের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য আমার এ সৌভাগ্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। সুবহানাল্লাহ।
এই কালামুল্লাহ শরীফ উনার একখানা আয়াত শরীফ উনার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের কারণে পূর্ব জীবনে শরাব পান করলেও পরবর্তীতে অত্যন্ত বড় বুযুর্গ ওলী আল্লাহ হয়েছিলেন হযরত বিশর হাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনি। সুবহানাল্লাহ।
বন্দেগীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ বন্দেগী কালামুল্লাহ শরীফ তিলাওয়াত। কিতাবে উল্লেখ আছে, যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম পাঠ করেন মহান আল্লাহ পাক তাকে দুটো সওয়াব দান করেন। একটা সওয়াব পড়ার জন্য,দ্বিতীয় সওয়াব কুরয়ান শরীফে দৃষ্টিপাত করার জন্য। সুবহানাল্লাহ।
যে ব্যক্তি কুরয়ান শরীফ পাঠ করে তার আমলনামায় প্রতিটি অক্ষরের জন্য ১০ টি নেকী লিখা হবে এবং ১০টি করে পাপ মুছে যাবে। সুবহানাল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে