কোমল পানীয় কি আসলেই কোমল? —১


কথিত জনপ্রিয় পানীয় কোকাকোলা তৈরির ফর্মুলা গোপন রাখা নিয়ে প্রচলিত আছে রহস্যময় নানান কাহিনী। কথিত আছে, কোমল পানীয় কোকাকোলা তৈরির সম্পূর্ণ ফর্মুলা গত ১২৫ বছর ধরে কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে দিয়ে রক্ষা করা হচ্ছে।

আমেরিকার জন পেমারটন ১৮৮৬ সালে কোকাকোলা আবিষ্কার করে। প্রথমে এটি ওষুধ হিসেবে প্রচলিত ছিল। তখন বলা হতো, এটি মাথাব্যথা থেকে পুরুষত্বহীনতা পর্যন্ত সব রোগ সারাতে পারে। তখন থেকেই আন্তর্জাতিক কোমল পানীয় বাজারে কোকাকোলা প্রাধান্য বিস্তার করতে থাকে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রতিষ্ঠানটি দুই শতাধিক দেশে এই পানীয়টি রপ্তানি করছে।

কোকাকোলা ও পেপসি কোলা দুটি মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি, তবে কোম্পানিদ্বয় তাদের কোমল পানীয়র জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। এ দুটি পানীয় হচ্ছে এক প্রকার কার্বোনেটেড কোমল পানীয়। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন রেস্তোরাঁ, জেনারেল বা ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, ভেন্ডিং মেশিনসহ বিভিন্ন স্থানে কোকাকোলা ও পেপসি কোলা বিক্রি হয়। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই তারা চেইন বিজনেসের মাধ্যমে এসব কোক-পেপসির বিপণন করে থাকে। না জেনে ছেলে-বুড়ো সবাই দেদারসে পান করে এসব পানীয়। যদিও কোকাকোলা, পেপসি কোলাসহ অন্যান্য কোমল পানীয় স¦াস্থ্যের জন্য ভাল না মন্দ এই নিয়ে কথা হচ্ছে দীর্ঘ দিন ধরে।

সম্প্রতি শতবর্ষ ধরে বিশ্বস্ততার জায়গা থেকে কোকাকোলা আর পেপসিকে আরেকবার নাড়িয়ে দিল ফ্রান্সের এক গবেষণাধর্মী প্রতিবেদন। সেখানে বলা হয়েছে জনপ্রিয় পানীয়দ্বয় অ্যালকোহলিক এবং স¦াস্থ্যের জন্য সমূহ ক্ষতির কারণ।

প্যারিসভিত্তিক ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কনজাম্পশন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী অর্ধেকেরও বেশি কোলা জাতীয় পানীয়তে অ্যালকোহলের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। ধর্মীয় অনুশাসন ও স¦াস্থ্যগত বিষয়াদি যারা মেনে চলেন তাদের অবগত করতেই এই তথ্য উদঘাটন হয়েছে বলে জানায় ডেইলি মেইল অনলাইন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে