কোয়ান্টামে পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়া বা তার মূল্য ও যাকাত-ফিতরা দেয়া হারাম


নতুন একটি কুফরী মতবাদ ও বাতিল ফিরক্বা হচ্ছে ‘কোয়ান্টাম’। এর প্রধানকে তারা গুরুজি বলে ডাকে। যার সাড়ে তিন হাত শরীরে সম্মানিত সুন্নত উনার কোনো চিহ্নই নেই। সে দাড়িবিহীন এবং বের্পদা মহিলাদের সাথে সে হরহামেশা সাক্ষাৎ করে। এই কোয়ান্টামের সাথে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই। এই কোয়ান্টাম পবিত্র যাকাত, পবিত্র ফিতরা, পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়া ও তার মূল্য এসব মুসলমানদের কাছ থেকে নিয়ে পাহাড়ে সন্ত্রাসী উপজাতি বৌদ্ধদের পিছনে খরচ করে। মূলত কোয়ান্টামের কার্যক্রম, তাদের নীতি সব সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার খিলাফ।
কোয়ান্টাম হিন্দু-বৌদ্ধ ইত্যাদি বাতিল ধর্মমতের কথা এনে মুসলমানদের মাঝে ছড়াচ্ছে; যা সম্পূর্ণ কুফরী। যেমন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন প্রচার করছে- “স্বপ্নের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ দেখে নেয়া বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার, কারণ বুদ্ধের মা মায়াদেবী, কৃষ্ণ পরম হংসদেবের পিতা ক্ষুদিরাম, জুলিয়াস সিজার, প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন, ইংরেজ কবি শেলী, কবি টেনিসন প্রমুখ স্বপ্নের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ দেখেছিলো। তাছাড়া বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক ভন কাকুল, সেলাই মেশিন আবিষ্কারক ইলিয়াস হাওয়ে, বল বিয়ারিংয়ের আবিষ্কর্তা জেমস ওয়াটসহ অনেক বিজ্ঞানীরা তাদের সমস্যার সমাধান স্বপ্নেই পেয়ে গেছে।” নাউযুবিল্লাহ! বলার অপেক্ষা রাখে না, এসব কথা বিশ্বাস করলে কোনো মুসলমানের ঈমান থাকতে পারে না। অথচ কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন মুসলমানদের মাঝে এসব কুফরী কথাই প্রচার করছে। নাউযুবিল্লাহ!
তাছাড়া কোয়ান্টাম পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত ৮ খাতের কোনো খাতের মধ্যেই পড়ে না। তাই এদেরকে পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়া ও যাকাত, ফিতরা দিলে তা কস্মিনকালেও আদায় তো হবেই না; বরং কুফরীর গুনাহ হবে। অতএব, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে- এদেরকে পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়া বা তার মূল্য ও যাকাত-ফিতরা দেয়া থেকে বিরত থাকা এবং হক্ব ও উপযুক্ত স্থানে দেয়া।
বর্তমান যামানায় হক্ব মত-পথ ও সুন্নতী আমলের একমাত্র ও উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো, ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ’। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাধ্যমে নির্দেশ মুবারক করেন, “তোমরা নেক কাজে ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদকাজে অর্থাৎ পাপে ও শত্রুতায় পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।”
কাজেই যারা পবিত্র কুরবানী উনার চামড়া দিয়ে ছদকায়ে জারিয়ার ছওয়াব হাছিল করতে চান তাদের জন্য পবিত্র কুরবানী উনার চামড়া, যাকাত, ছদকা ইত্যাদি দেয়ার একমাত্র ও প্রকৃত স্থান হলো ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’। সুবহানাল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে