কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে যাকাত দিলে কুফরী হবে এবং অভিশপ্ত হতে হবে।


প্রতিবছর কুফরীতে পরিপুর্ন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন কোটি কোটি টাকা যাকাত আদায় করে থাকে যা তারা সম্পুর্ন কাফিরদের পিছনে খরছ করে ।

যাকাত আল্লাহ পাক কতৃক মুসলমানদের জন্য এক নিয়ামত। যাকাত মুসলমানদের উপর ফরয ,কাফিরদের উপর নয়। তেমনি যাকাত গ্রহন ও মুসলমানের জন্য ,কাফিরদের জন্য নয়।
অথচ কুফরি প্রথা কোয়ান্টাম করছে তার সম্পুর্ন বিপরীত । তাদের মতে “মহান আল্লাহ যাকাত ব্যয়ের যে ৮টি খাত নির্দিষ্ট করেছেন তাতে ফকির-মিসকিন বলা আছে। ঈমানদার ফকির-মিসকিন বলা হয় নি। আর খোলাফায়ে রাশেদার আমলে খেলাফতে বসবাসকারী ধর্ম-গোত্র নির্বিশেষে প্রতিটি ব্যক্তির ন্যূনতম প্রয়োজন পূরণের দায়িত্ব রাষ্ট্র বহন করেছে। বায়তুল মাল থেকে এ প্রয়োজন পূরণ করা হতো। আর যাকাতের অর্থ বায়তুল মালেই জমা হতো। তাই যেকোনো দুস্থ ও নিঃস্ব মানুষের কল্যাণে যাকাতের অর্থ ব্যয়ে কোনো বাধা নেই।”http://zakat.qm.org.bd
অর্থাৎ তাদের মতে কাফিরদের যাকাত প্রদান করা যাবে !!নাউযুবিল্লাহ ।
অথচ আল্লাহ পাক পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে কাফিরদের নিয়ে কি বলেছেন ?
(১) “নিশ্চয়ই সমস্ত প্রাণীর মাঝে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কাফিররাই সবচেয়ে নিকৃষ্ট, যারা ঈমান আনেনি।” (পবিত্র সূরা আনফাল শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৫)
২) “নিশ্চয়ই কাফিররা মহান আল্লাহ তায়ালা সাথে শত্রুতা করে।” (পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৯৮)
৩) “তোমরা (মুসলমানরা) তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে প্রথমতঃ ইহুদীদেরকে অতঃপর মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)
যেখানে স্বয়ং আল্লাহ পাক কাফিরদের উনার এবং মুসলমানের শত্রু বলেছেন সেখানে কি করে তারা যাকাত পেতে পারে ?
৪) হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন কোন ফাসিকের প্রশংসা করা হয় তখন আল্লাহ পাক ক্রুদ্ধ হন এবং সে কারণে আল্লাহর আরশ কাঁপতে থাকে। – (মিশকাত শরীফ)
ফাসিক ব্যক্তি মুসলমান হবার পরেও তার প্রশংসা করলে যদি আল্লাহ পাকের আরশ কাপে তাহলে কাফিরদের সাহায্য করলে কি হবে ?
৫)‘তোমরা নেক ও পরহেজগারিতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদ ও পাপ কাজে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না। আর এ বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তিদাতা’ (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২)
কাফিরেরা কি নেক কাজ করে ? তারা তো পাপী । তাহলে কি করে যাকাত দিয়ে সাহায্য করা যেতে পারে ?
৬) অথচ কুফরি কোয়ান্টাম এসকল আয়াত শরিফকে অস্বিকার করে মিথ্যা ,মনগড়া যুক্তি দিয়েছে । তাদের কথা মতে আল্লাহ পাক নাকি ফকির মিসকীন বলেছেন ,ঈমানদার ফকির মিসকীন বলেননি । কত বড় বাটপার !!!
মুসলমানের আমল কি কাফিরদের জন্য নাকি মুসলমানের জন্য ? কোরআন শরিফের অনেক আয়াতেই তো ঈমানদার কিংবা মুসলমান শব্দ উল্লেখ নাই । থাকবেই বা কেন।কোরান শরীফ তো মুসলমানের জন্য-ই। তাহলে কেন কুফরি কোয়ান্টামের এই চল চাতুরী ?
৭) তোমরা নামায কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং রসূলের আনুগত্য কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও। তোমরা কাফেরদেরকে পৃথিবীতে পরাক্রমশালী মনে করো না। তাদের ঠিকানা অগ্নি। কতই না নিকৃষ্ট এই প্রত্যাবর্তনস্থল। (আন্-নুর-৫৬)
এখানে তো ঈমানদারের কথা উল্লেখ করেননি ? তাহলে কি কাফিরেরা যাকাত নিবে আর নামায পড়বেনা ? নামায যেহেতু মুসলমানের জন্য ,তাহলে যাকাত শুধু কাফিরের জন্য হবে কেন ?
৮. আবার এই কুফরী কোয়ান্টাম বলেছে খোলাফায়ে রাশেদীন উনাদের সময়ে বায়তুল মালের কথা।
প্রশ্ন হল এখন কি খিলাফত আছে নাকি বায়তুল মাল প্রথা ? আর তারা প্রমান দেখাতে পারবে কি উনারা যাকাত থেকে কাফিরদের টাকা দিয়েছেন ?
এই বকলমেরা জানেনা যে বায়তুল মালে শুধু যাকাত নয় , অন্যান্য উৎস থেকে আদায়কৃত টাকাও থাকে যার হিসেব থাকে আলাদা আলাদা । উনারা অন্য খাত থেকে কাফিরদের টাকা দিয়েছেন কিন্তু যাকাতের অর্থ থেকে নয় ?
এবার বুঝুন এরা কত বড় আশাদ্দুদ দরজার জাহেল, দাজ্জালে কাযযাব। যাকাতের মত পবিত্র একটী বিষয়কে তারা অপব্যাখ্যা করে কাফিরদের পিছনে খরছ করছে।
মুলত এই কুফরি কোয়ান্টাম কাফিরদের বিশেষ করে বোদ্ধদের খাছ এজেন্ট। কারন মেডিটেশন বোদ্ধদের খাছ ধর্মীয় প্রথা ।
এই কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে যারা যাকাত দিবে তাদের যাকাত তো কবুল হবেইনা ,উলটা বিভিন্ন আযাব গযবে নিপতিত হবেই হবে ।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে