ক্বওমীদের ‘শুকরিয়া মাহফিল’: আ. শফীগংদের কুফরী প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতা মাত্র


যে খবরটা নিয়ে এ লেখার অবতারনা; খবরটি হলো- ‘ক্বওমী মাদরাসাকে সরকারী সনদ দেয়ার আইন পাস হওয়ায় খুশি হয়ে শুকরিয়া স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্বওমীদের গুরু আ. শফীগং রাজধানীতে একটি শুকরিয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানটি হবে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী জনসভার মাঠে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবে শেখ হাসিনা নিজে। এ অনুষ্ঠানের দাওয়াত দিতে আ.শফী নিজে সরাসরি শেখ হাসিনার সাথে দেখা করে দাওয়াত দিয়েছে।’ নাউযুবিল্লাহ!

খবরটা মোটামুটি এরকমই। আমার মনে অনেকবারই এসেছে- এই ধর্মব্যবসায়ীগুলো মরে না কেন? উত্তরে একটি আয়াত শরীফই ছিলো সান্তনা। মহান আল্লাহপাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “কাফেররা যেন মনে না করে যে, আমি তাদেরকে যে সময় দেই তা তাদের জন্য কল্যাণকর; আমি তো তাদেরকে সময় দেই যাতে তারা কুফরী বৃদ্ধি করতে পারে।” (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৭৮)

মূলত মহান আল্লাহপাক তিনি ধর্মব্যবসায়ীসহ যত কাফির-মুনাফিক আছে তাদেরকে তিনি সময় দেন যেন তাদের কুফরীটা আরও বৃদ্ধি পায়, প্রকাশ পায়, আনুষ্ঠানিকতায় রূপ নেয়, মানুষও যাতে সহজে উপলব্ধি করতে পারে।

এসব ধর্মব্যবসায়ীদের কু-কীর্তি সম্পর্কে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ, দৈনিক আল ইহসান শরীফ উনাদের মাঝে অনেক অনেক পড়েছি, জেনেছি। আ. শফীর মত এত নিকৃষ্ট একটি ধর্মব্যবসায়ী শেষ বয়সে এসে এভাবে তার সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে প্রকাশ্য ময়দানে বেপর্দা, বেগানা মহিলাকে প্রধান অতিথি করে মঞ্চে বসাবে- এটা মূলত উক্ত আয়াত শরীফ উনার বাস্তব প্রতিফলন। মহান আল্লাহপাক তিনি এভাবেই বান্দা-বান্দীদের সামনে না-হক্বদের অপকীর্তি উন্মোচন করে থাকেন, যেন হক্ব ও না-হক্বের পার্থক্য সুস্পষ্ট হয়ে যায়।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে