ক্বলবী যিকির করা প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ মহিলা উনাদের জন্য ফরয


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করে-
الا بذكر الله تطمئن القلوب
অর্থ: সাবধান! খালিক¦ মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত যিকির উনার দ্বারাই ক্বলব বা অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে বা ইছলাহ প্রাপ্ত হয়। (পবিত্র সূরা র’দ শরীফ:পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮ )
এখন অন্তর কখন ও কিভাবে প্রশান্তি লাভ করে বা ইছলাহ প্রাপ্ত হয় সে বিষয়টি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে –
عن حضرت ابن عباس رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الشيطان جاثـم على قلب ابن ادم فاذا ذكر الله خنس واذا غفل وسوس
অর্থ : “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান আদম সন্তানের ক্বলবে আসন পেতে বসে থাকে। যখন সে পবিত্র যিকির করে, তখন শয়তান পালিয়ে যায়। আর যখন সে পবিত্র যিকির থেকে গাফিল হয়, তখন শয়তান ওয়াসওয়াসা দেয়।” (বুখারী শরীফ, মিশকাত শরীফ, মাছাবীহুস সুন্নাহ শরীফ)
অত্র পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে যে, শয়তান আদম সন্তান তথা মানুষের ক্বলবে আসন পেতে বসে ওয়াসওয়াসা দিয়ে থাকে। যখন মানুষ ক্বলবী যিকির করে তখন শয়তান পলায়ন করে থাকে, ফলে সে তখন ওয়াসওয়াসা দিতে পারে না। আর যখন শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে ক্বলব মুক্ত হয় তখনই মূলতঃ ক্বলব প্রশান্তি লাভ করে বা পর্যায়ক্রমে ইছলাহ প্রাপ্ত হয়। সুবহানাল্লাহ!
অতএব, প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ মহিলা উনাদেরকে ক্বলবী যিকির করে স্বীয় ক্বলবকে ইতমিনান বা প্রশান্ত ও ইছলাহ করতে হবে। এটা ফরযে আইন উনার অর্ন্তভুক্ত। আর এজন্য একজন কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হয়ে উনার প্রদত্ব তরীক্বা অনুযায়ী ক্বলবী যিকির করতে হবে। এটাও সম্মানিত ফরয উনার অর্ন্তভুক্ত।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে