ক্রীতদাস সাহস হারিয়ে ক্রীতদাসই থেকে যায়!


ক্রীতদাস সাহস হারিয়ে ক্রীতদাসই থেকে যায়!

আমি ক্রীতদাস। ত্রীতদাসের যেমন নিজের ইচ্ছা বলে কিছু নাই, অধিকাংশ মানুষের বেলা তাই। সাধারণ ক্রীতদাসের সাথে মানুষের একটু পার্থক্য আছে। ক্রীতদাসের মালিক তার ভরণ-পোষণ করে থাকে এবং ক্রীতদাস তার মালিকের হুকুমের গোলাম হয়ে থাকে। আর আমরা যারা নফসের গোলাম তাদের বিষয়টি ভিন্ন। খাওয়ান-পরান এক মালিক আর গোলামী করি অন্য মালিকের (নফস)। ক্রীতদাস কেন বিদ্রোহ করে না, পালিয়ে মুক্ত হয় না, জানেন? শুধু সাহসের অভাবে। হুকুমের গোলামী করতে করতে নিজস্ব কোনো চিন্তা ভাবনা থাকে না। হুকুম পেলেই তুষ্ট সে। হুকুম না পেলে ক্রীতদাস মনে করে তার মালিক তার উপর নাখোশ। যা সে সহ্য করতে পারে না। তাহলে নফসের ক্রীতদাসদের কি অবস্থা! নফস মানুষকে নানা রিপুর অদৃশ্য রশি দ্বারা বেঁধে রাখে। সুতরাং সেও নফসের গোলামী করে। স্বাধীনতার সাধ পায় না। স্বাধীনতার বা মুক্ত চিন্তার সাহস মানুষ হারিয়ে ফেলে। বর্তমান অবস্থার সাথে আঁতাত করে রিপুর বাধন ভাংতে চায় না, অজানা ভয়ের কারণে।

সুতরাং সারাজীবন গোলামী চলে, পরকাল অন্ধকার।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে