খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, আওলাদুর রসূল খলীফাতুল উমাম হযরত শাহজাদা হুযুর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনি হচ্ছেন নিয়ামত লাভের বিশেষ লক্ষ্যস্থল


খাযীনাতুর রহমাহ মাখযানুল মা’রিফাহ, খলীফাতুল উমাম, আওলাদে রসূল হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার শান-মান, ফাযায়িল ফযীলত ও বুযুর্গী বিরল, বেমেছাল ও অবর্ণনীয় যা কুল-কায়িনাতের জিন ও ইনসানের পক্ষে বর্ণনা করা অভাবনীয়, অকল্পনীয় ও দুষ্কর বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। তবে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যাকে বা যাদেরকে তাওফীক্ব দান করবেন এবং উনাদের পক্ষ থেকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ও উনার সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমু সালাম উনারা যাদেরকে ইহসান করবেন তাদের পক্ষে একমাত্র খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার শান-মান ফাযায়িল-ফযীলত ও বুযুর্গী বর্ণনা করা সম্ভব হবে।
বাহরুল উলূম, খতীবুল উমাম, খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার শান, মান, ফাযায়িল-ফযীলত ও বুযুর্গী প্রমুখ কবি উনাদের কাছীদা শরীফ-এ বর্ণনা করেছেন। যেমন- কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, গণীয়ে ইমরান, বদরুয যামান হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি লিখেছেন-

“শানে বিলাদত শাহযাদাজানের
নেইকো তুলনা যে
পাইনি খুঁজে কোথাও এমন হিদায়েতের নূর
শাহযাদা আক্বা নূরানী
শাহযাদা আক্বা নূরানী।”

উপরোক্ত কাছীদা শরীফ-এ খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে হিদায়েতের নূর বলা হয়েছে। অর্থাৎ গুমরাহ, পথভ্রষ্ট, বদ-মাযহাব বদ-আক্বীদার লোককে তিনি এমনভাবে হিদায়েত তথা সঠিক পথ দান করেন যার মিছাল বা উপমা দুনিয়াতে নেই। আর সর্বশেষ লাইনে বর্ণিত হয়েছে যে তিনি নিজে হচ্ছেন নূরে মুকাররম। আর উনার ছোহবতে সকলেই নূরে নূরান্বিত হয়ে যায়। আল্লাহওয়ালা হয়ে হাক্বীক্বী মু’মিন মুত্তাক্বী হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ!
এ ব্যাপারে বিশ্বকবি হযরতুল আল্লামা শায়েখ মুহম্মদ মুফাজ্জলুর রহমান বলেন-
“দুনিয়াতে তাশরীফ আনেন মারহাবা ইয়া শাহযাদা
আল্লাহ ও রসূল উনাদের সেরা দোস্ত মারহাবা ইয়া শাহযাদা।”
উপরোক্ত পঙক্তিতে খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার লক্ষ-কোটি ফাযায়িল-ফযীলত পরিস্ফুটিত হয়েছে। তার মধ্যে স্বচ্ছ দিক হচ্ছে তিনি হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সেরা দোস্ত। অর্থাৎ তিনি হচ্ছেন মুরাদ, মাহবূব ও মাকবুল। মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা নিজেরাই খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
উনার শান মান সম্পর্কে কবি হযরতুল আল্লামা মুহম্মদ হাফিযুর রহমান খান লিখেছেন-
“শাহে জাহান, শাহে জাহান, শাহে জাহান
আজীমি শান, আজীমি শান, আজীমি শান।”
অর্থাৎ খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন দুনিয়ার বাদশাহ, তিনি খিলাফত মসনদের একচ্ছত্র অধিপতি তথা খলীফাতুল মুসলিমীন। উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত হচ্ছে মহান তথা আলী শান। আর এ ব্যাপারে কবি হযরতুল আল্লামা ফরাজী আল হাদী বলেন-

“খলীফাতুল উমাম হন আপনি শাহযাদা
শাসন করিবেন তামাম আপনি শাহযাদা।”
অর্থাৎ হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন সমস্ত উম্মতের খলীফা। উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি খলীফা করেই দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন। তামাম আলমের তিনিই হবেন একমাত্র শাসন কর্তা। সুবহানাল্লাহ!
উনার বেমেছাল শান সম্পর্কে কবি মুনজির মুহম্মদ গিয়াসুদ্দীন বলেন-

“শাহযাদার তাশরীফ-এ জাহান নূরানী
নূরে উনার সদা উজালা ধরণী।”
কবি উনার কাছীদা শরীফ-এ বুঝাতে চেয়েছেন সারাবিশ্ব যখন বিদয়াত, বেশরা, কুফরী-শিরকী, নগ্নতা, অশ্লীলতা বেহায়াপনার তমসায় আচ্ছাদিত। ঠিক সেই সময় হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক তাশরীফ-এ তমসাচ্ছন্ন দুনিয়া উনার নূরের আলোয় আলোকিত হয়ে গিয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
কবি হযরতুল আল্লামা মাওলানা মুহম্মদ মা’ছূমুর রহমান বলেন-

“ভুবনজয়ী বীর শাহযাদা
খলীফা কায়িনাতের
সিরতে ছূরতে মামদূহর
সুন্নতী শান হাবীবের।”

অর্থাৎ হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন ভুবন জয়ী বীর। তিনি হচ্ছেন কুল-কায়িনাতের জাহির বাতিন খলীফা। তিনি প্রথমে কোন দেশের খলীফা হবেন। পরে এক এক করে সারা পৃথিবী জিহাদ ও বিনা জিহাদের মাধ্যমে উনার করায়ত্বে নিয়ে আসবেন। তিনি হচ্ছেন, নকশায় হযরত মামদূহ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম। তিনি সুন্নতের মাঝে দায়িম-ক্বায়িম রয়েছেন। তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ক্বায়িম-মাক্বাম। উনাকে দেখে দেখে কেউ আমল করলেই তার সুন্নতের আমল হয়ে যাবে। সুবহানাল্লাহ!
উনার শান সম্পর্কে কবি মাওলানা মুহম্মদ ফুরক্বান বলেন-

“আক্বা আপনারি ছানা হয় আরশে আলায়।
আক্বা আপনারই ছানা ছিফত সৃষ্টি কুলে কয়
কুল-কায়িনাত আপনার কাছে
আপনার অসীম দয়া যাচে।”

অর্থাৎ স্বয়ং খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার আরশে আলায় হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ছানা-ছিফত বর্ণনা করেন। সুবহানাল্লাহ! কুল-কায়িনাতের সব মাখলূক্ব নিজেদেরকে ধন্য করার জন্য হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ছানা ছিফতে বিভোর থাকে। সুবহানাল্লাহ!
আর সকলেই আক্বা হযরত শাহযাদা ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দয়া, দান, ইহসান, করুণা, তাওয়াজ্জুহ, ফায়িয লাভে ধন্য হতে অস্থির থাকে। সুবহানাল্লাহ!
মূলত, হযরত আক্বা শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন- সর্বগুণে গুণী সর্বজ্ঞানে মহাজ্ঞানী। উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত বর্ণনা করতে গিয়ে আমার লক্ষ-কোটি ভুল বেয়াদবি হয়েছে। আমি আমার সমস্ত ভুল বেয়াদবি, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, খলীফাতুল উমাম হযরত শা

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+