খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন, আওলাদে রসূল খলীফাতুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি খলীফা হিসেবেই সৃষ্টি করেছেন। (সুবহানাল্লাহ)


খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন, আওলাদে রসূল খলীফাতুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ এবং পূর্ববর্তী সম্মানিত আসমানী কিতাব মুবারক উনাদের মধ্যে বর্ণিত ১২ জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্য থেকে অন্যতম একজন বিশেষ খলীফা হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি খলীফা হিসেবেই সৃষ্টি করেছেন। (সুবহানাল্লাহ) শুধু তাই নয়, মহান আল্লাহ পাক তিনি খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন, আওলাদে রসূল, খলীফাতুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত কপাল মুবারক-এ উনার কুদরতী হাত মুবারক বুলিয়ে দিয়ে যাহিরী এবং বাত্বিনী উভয় প্রকার সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনাদের সর্বোচ্চ মাক্বাম মুবারকখানা হাদিয়া করেছেন। তারপর উনার প্রতি বিশেষ মুহব্বতের দৃষ্টি নিক্ষেপ করেছেন। (সুবহানাল্লাহ) আর এই বিষয়টি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যেই স্পষ্টভাবে বর্ণিত রয়েছে।
এই সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ِاِذَا اَرَادَ اللهُ اَن يـَّخْلُقَ خَلْقًا لِّلْخِلَافَةِ مَسَحَ ناصِيَتَه بِيَدِه.
অর্থ: “সর্বাধিক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনাকারী ছাহাবী হযরত আবূ হুরায়রাহ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মাহবূব বান্দা তথা মাহবূব ব্যক্তিত্ব মুবারক উনাদের মধ্য থেকে কাউকে খলীফা হিসেবে সৃষ্টি করার ইচ্ছা মুবারক পোষণ করেছেন তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে খলীফা হিসেবেই সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি উনার কুদরতী হাত মুবারক উক্ত মাহবূব ব্যক্তিত্ব মুবারক বা মহান ওলীউল্লাহ উনার কপাল মুবারক-এ বুলিয়ে দিয়েছেন তথা সম্মানিত কপাল মুবারক-এ কুদরতী হাত মুবারক বুলিয়ে দিয়ে সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার বিশেষ মাক্বাম মুবারকখানা হাদিয়া করেছেন।” (সুবহানাল্লাহ) (তারীখুল খুলাফা লিস সুয়ূতী ১৪পৃ., জামিউল আহাদীছ লিস সুয়ূত্বী ২য় খ- ২৪৬ পৃষ্ঠা, আল ফাতহুল কাবীর লিস সুয়ূত্বী ১ম খণ্ড- ৬৯পৃষ্ঠা, জামউল জাওয়ামি, জামিউছ ছগীর লিস সুয়ূত্বী ১ম খ- ৩০ পৃষ্ঠা, দায়লামী শরীফ ১ম জিলদ ২৪৮ পৃষ্ঠা ইত্যাদি)

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে