খাছ সুন্নতী ওয়াক্ত মুতাবিক রাজারবাগ শরীফ সুন্নতী জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে দেশের সর্বপ্রথম পবিত্র ঈদুল আযহা উনার জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৬.০০


আগামী ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আযহা শরীফ তথা পবিত্র কুরবানীর ঈদ। মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক ইমামতিতে পবিত্র ঈদুল আযহা উনার নামায আদায়ের জামায়াত দেশের মধ্যে সর্বপ্রথম রাজারবাগ শরীফ সুন্নতী জামে মসজিদে সুন্নতী ওয়াক্ত মুতাবিক সকাল ৬.০০ টায় অনুষ্ঠিত হবে। ইনশাআল্লাহ!
পবিত্র ঈদ উনার নামায কোন্ সময় আদায় করতে হবে, সে সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ঈদ উনার দিন ফজরের নামায পড়ে হুজরা শরীফ গিয়ে সকাল সকাল গোসল মুবারক করে পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিন হলে বেজোড় সংখ্যক খোরমা খেজুর খেয়ে ঈদগাহে যেতেন। আর পবিত্র ঈদুল আযহা উনার দিন হলে কিছু না খেয়ে সরাসরি ঈদগাহে যেতেন এবং পবিত্র ঈদ উনার নামায আদায়ের ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে পবিত্র ঈদ উনার নামায পড়তেন। অতঃপর খুতবা মুবারক দিতেন ও নছীহত মুবারক করতেন।”
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আমর ইবনে হাযম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে নজরানের আমীর বা প্রধান হিসেবে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় চিঠি দিয়ে আদেশ মুবারক করেন যে, পবিত্র ঈদুল আযহা উনার নামায খুব সকাল সকাল পড়বেন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার নামায পবিত্র ঈদুল আযহা উনার চেয়ে অল্প একটু দেরিতে পড়বেন।”
সূর্য পূর্ণভাবে উদিত হওয়ার পর অর্থাৎ মাকরূহ ওয়াক্ত শেষ হয়ে ইশরাকের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর থেকে পবিত্র ঈদ উনার নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয়। আর দ্বিপ্রহরের পূর্ব পর্যন্ত ওয়াক্ত থাকে; তারপর মাকরূহ ওয়াক্ত শুরু হয়। সেই মাকরূহ ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পূর্বে পবিত্র ঈদ উনার নামায আদায় করতে হবে। মাকরূহ ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর পবিত্র ঈদ উনার নামায আদায় করলে তা আদায় হবে না।
কাজেই পবিত্র ঈদ উনার নামায সকাল সকাল পড়া সুন্নত। পবিত্র ঈদ উনার সম্মানার্থে এবং পবিত্র ঈদ উনার নামায যাতে আদায়ে দেরি না হয়, সেজন্য পবিত্র ঈদ উনার দিন ইশরাকসহ অন্যান্য সকল নফল নামাযসহ সমস্ত নফল ইবাদত করা মাকরূহে তাহরীমী।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি কোনো হক্কানী ওলীআল্লাহ উনার পিছনে নামায আদায় করলো, সে যেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পিছনে নামায পড়লো। আর যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পিছনে নামায আদায় করলো তাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমা করে দিবেন।” সুবহানাল্লাহ!
কাজেই সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনার পক্ষ থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ উনাদেরকে উক্ত জামায়াতে শামিল হওয়ার জন্য আহবান জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে