খাবার খাবেন কোথায়?


প্রথমে একটি তথ্য জানাই আপনাদের। এরপর বাকি কথা। ঘটনাটি আজ থেকে প্রায় ১০ বছর আগের। রাজধানী ঢাকার মধ্যে আরেকটি ঢাকা আছে যার নাম ‘পুরাতন ঢাকা’। সে এলাকার একটি জায়গার নাম হলো ঠাঁটারি বাজার। এলাকাটি ব্যবসায়িক এলাকা হওয়ায় সারাদেশ থেকেই প্রচুর লোকজনের সমাগম ঘটে এখানে। এ সকল লোকদের খাবার দাবারের জন্য এখানে ছোটবড় অনেক হোটেল, রেস্তোরাঁও আছে। তো একবার খবর বের হলো- এখানে কিছু হোটেল আছে যেখানে একবার কেউ চা খেলে আবারো তাকে এখানে চায়ের আকর্ষণে আসতে হয়। চা খাওয়ার জন্য লম্বা লাইনও ধরতে হতো। তো চা’র এরকম জমজমাট ব্যবসা ও প্রচার দেখে অনেকের মধ্যেই কৌতুহল জন্মালো- আসলে এ চায়ের মধ্যে এমন কি আকর্ষণ আছে? কৌতুহল মিটাতে অনেকেই নানাভাবে চেষ্টা করলো। শেষ পর্যন্ত পত্রিকায় খবর বের হলো- এ চা-তে মাদকদ্রব্য ‘আফিম’ মেশানো হয়।
তো পাঠক! যে উদ্দেশ্যে এ ঘটনাটি বলা। আমরা অনেকেই কিন্তু বিভিন্ন কারণে বাইরে বের হলে কোনো না কোনো হোটেলে চা-নাশতা বা অন্যান্য খাবার খেতে যাই বা যেতে হয়। প্রচ- ক্ষুধা বা আমাদের সচেতনতার অভাবে আমরা খুব কমই যাচাই করে দেখি- কোথায় প্রবেশ করলাম, আর কেমন খাবারই বা খাচ্ছি?
আবার আমরা সকলে এটাও জানি, হিন্দুদের কাছে গরুর মুত্র, গোবর ইত্যাদি অনেক মূল্যবান। তাদের বিশ্বাস গোমুত্র বা গোবর তাদেরকে পবিত্র(!) করে। যে কারণে তারা তাদের সর্বপ্রকার খাবারেই খুব সামান্য পরিমাণ হলেও গোমুত্র বা গোবর মিশায় এবং সকাল বেলা তাদের বাসা-বাড়ি, দোকান, প্রতিষ্ঠানগুলোতে এ পানি ছিটায়। অথচ আমরা মুসলমানরা এ বিষয়টি জানার পরও কিভাবে যাচাই-বাছাই ছাড়াই অমুসলিমদের হোটেল-রেস্তোরায় প্রবেশ করি? অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের সম্পর্কে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন- “নিশ্চয়ই মুশরিক/হিন্দুরা নাপাক-অপবিত্র।”

Views All Time
2
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে