খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ উনার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের উদ্দেশ্যেই বিভ্রান্ত ও গোমরাহদের দ্বারা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর উত্থান


খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব পরিচালনা করার ব্যবস্থা। যা মহান আল্লাহ পাক উনার নাযিলকৃত, পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাধ্যমে পরিচালিত। এই খিলাফত ব্যবস্থা জারি থাকলে মুসলমান উনারা সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ জীবন পরিচালনা করার পরিবেশ পায়। কাফির-মুশরিকরাও জিজিয়া কর প্রদানের মাধ্যমে নিরাপদ সুশৃঙ্খল জীবন অতিবাহিত করতে পারে; যা আমরা অতীত ইতিহাসে দেখতে পাই।
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ যেহেতু পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়, তাই তা পবিত্র ঈমান উনার সাথে সম্পর্কিত। আমরা মুসলমান সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী জীবনযাপন করি তা কাফির-মুশরিকরা সহ্য করতে পারে না। তারা চায় আমরাও তাদের মতো কুফরীপূর্ণ উচ্ছৃঙ্খল জীবন-যাপন করি। নাউযুবিল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারারা হিংসাবশতঃ চায় ঈমান আনার পর তোমাদের কি করে কাফির বানানো যায়।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)
কাফিররা তাই তাদের কিছু এজেন্ট তৈরি করেছে যারা খিলাফত জারির নাম দিয়ে অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করে, মসজিদে বোমা মারে। যেমন- আল-কায়েদা, তালেবান, জেএমবি, আইএসআইএল ইত্যাদি। এই সমস্ত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়- তাদের প্রত্যেকের সাথে সিআইএ, মোসাদ, কেজিবি ইত্যাদি কাফির গোয়েন্দা সংস্থার সাথে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তারা খিলাফত জারির নামে সন্ত্রাসীপনা করে; যাতে মুসলমান উনারা প্রকৃত খিলাফত উনাকে খারাপ মনে করে, আর এর মাধ্যমে ঈমান হারিয়ে কাফিরে পরিণত হযে যায়। নাউযুবিল্লাহ!
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে “ঐ ব্যক্তি মুসলমান যার যবান ও হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে।” (বুখারী শরীফ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার আলোকে বলতে পারি যারা অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করে, বোমা মারে তারা কেউ মুসলমান নয়, তারা কাফির। আর কাফিররা তো চাইবে আমাদের কাফির বানাতে। পবিত্র খিলাফত উনার অপপ্রচারের উদ্দেশ্যেই এই সন্ত্রাসীদের উত্থান। সাবধান মুসলিম ভাইয়েরা! আপনারা এদের ধোঁকায় পড়বেন না।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে