গণতন্ত্র হলো সকল হারাম কাজের মূল


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হালাল স্পষ্ট, হারাম স্পষ্ট। আর উছূলের কিতাব উনার মধ্যে রয়েছে, হালাল থেকে হালালই বের হয় আর হারাম থেকে হারামই বের হয়।
এখন এই গণতন্ত্রের মূলে রয়েছে হারাম। যেটা আমরা দেখতে পাই, এ গণতন্ত্রের প্রবর্তক হলো, আব্রাহাম লিঙ্কন। যে ছিল চরম বদচরিত্র এবং সে নিজেই তার জীবনীতে লিখেছে, সে অবৈধ সন্তান। এখন যেহেতু গণতন্ত্রের মূলেই হারাম, সেহেতু এ গণতন্ত্র থেকে হারাম ছাড়া কিছুই বের হবে না। সেটাই আমরা আজ দেখতে পাই, এ গণতন্ত্রের জন্য মানুষ বেপর্দা হচ্ছে, মহিলারা বিবস্ত্র হয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই গণতন্ত্রের জন্য আজ মানুষ হারাম ছবি তুলে যাচ্ছে, হারাম খেলাকে সমর্থন করে যাচ্ছে। এই গণতন্ত্রের জন্যই সৃষ্টি হয়েছে (অপ)সাংস্কৃতির মন্ত্রণালয়। যার মাধ্যমে মানুষ আজ গান-বাজনা, করতে দুঃসাহস পায়। এ গণতন্ত্রের জন্যই সৃষ্টি হয়েছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। যার জন্য আজ মানুষ হারাম খেলা করতে দুঃসাহস পায়, খেলা দেখতে সাহস পায়। এ গণতন্ত্রের জন্যই সৃষ্টি হয়েছে ধর্মনিরপেক্ষতা। যার কারণে বাংলাদেশে ৯৮% লোক মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও মুসলমানরা তারা তাদের দ্বীন পালনের মতো মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। নাউযুবিল্লাহ! মূলত, এই গণতন্ত্রের জন্যই মুসলমানরা আজ মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে ভুলতে শিখেছে। নাউযুবিল্লাহ! এছাড়া সুদ, ঘুষ, নারী নেতৃত্ব, ব্যভিচার, নারীটিজিং, মারামারি, হানাহানি, হরতাল, লংমার্চ, চুরি, ডাকাতি ইত্যাদি সমস্ত হারাম কাজের জন্য দায়ী হলো এই গণতন্ত্র। নাউযুবিল্লাহ!
এখন বলার বিষয় যেটি সেটি হলো, আমরা যেহেতু শ্রেষ্ঠ নবী উনার শ্রেষ্ঠ উম্মত, সেহেতু এই শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে হলে মুসলমানদের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো এই গণতন্ত্রের বিপক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেয়া। সেটাই আমরা ৯৮% মুসলমানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি যে, তারা যেন এই হারাম গণতন্ত্র ছেড়ে দিয়ে হাক্বীক্বী খিলাফত আলা মিন হাজিন নুবুওওয়াহ উনার জন্য কাজ করে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে সেই তাওফীক্ব দান করুন। আমীন।

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে