গরু কুরবানীর বিরোধিতাকারী চক্রের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নিয়ে সরকারকে প্রমাণ করতে হবে- তারা গৌরগোবিন্দের উত্তরসূরি নয়?


গরু কুরবানীর বিরোধিতাকারী গৌরগোবিন্দের ইতিহাস কি দেশের সরকারি কর্মকতারা ভুলে গেছে? তাদের কি মনে নেই- কিভাবে গরু কুরবানীর বিরোধিতা করতে গিয়ে হযরত শাহজালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট অপদস্ত ও নাস্তানাবুদ হয়েছিলো যালিম হিন্দু গৌরগোবিন্দ? সেই গৌরগোবিন্দের চেলা-চামুন্ডাদের পবিত্র কুরবানী বন্ধের অপতৎপরতা আবারো দেশজুড়ে দেখা যাচ্ছে। তারা আবারো এদেশে গরু কুরবানী বন্ধ করার পাঁয়তারা করছে। বিভিন্ন অজুহাত ও অপপ্রচার চালিয়ে তারা গরু কুরবানী বন্ধ করতে উঠে পড়ে লেগেছে। যেমন- ১) তারা নির্দিষ্ট স্থানে শহরের সব পশু একত্র করে যন্ত্রের সাহায্যে যবাই ও প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে কুরবানীর কাজ সমাধান করবে। নাঊযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! ২) ২০১৪ সালে দুই সিটি করপোরেশনে অস্থায়ী পশুর হাট ছিল ২২টি। সেখানে দুই সিটি কর্পোরেশনে ২০১৫ সালে অস্থায়ী পশুর হাটের সংখ্যা কমিয়ে ১৬টি করা হয়েছিল। নাউযুবিল্লাহ! যাতে মুসলমানদের পবিত্র কুরবানী উনার গরু বেচা-কেনা কম হয়, পশুর সঙ্কট দেখা যায় এবং উচ্চমূল্যের কারণে মানুষ দুর্বল পশু কুরবানী দেয়। নাঊযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! ৩) পবিত্র কুরবানীর মোটাতাজা গরুর ভেতর বিষ রয়েছে-এমন অপপ্রচারণা ছড়ানো হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী ভাগ মুসলমান উনাদের চোখের সামনে প্রকাশ্যে এমন একটি ভয়াবহ ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র দেখেও সরকারের নীরবতা খুবই দুঃখজনক। তবে যারা ক্ষমতায় আছে তারা কি গৌরগোবিন্দের বংশধর? যদি এটা না হয়, তবে সরকারের প্রতি আহবান- অতিশীঘ্রই এসব গরু কুরবানীর বিরোধীদেরকে খুঁজে বের করে এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে তাদের আজীবনের জন্য পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে বলার মতো জবান বন্ধ হয়ে যায়
Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে