গানের স্বাধ গ্রহণ করা বা গানকে ভালো বা হালাল বলা কুফরী। নাউযুবিল্লাহ!


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমি বাদ্যযন্ত্র ও মূর্তি ধ্বংস করার জন্য প্রেরিত হয়েছি।’

সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- গান লেখা, গাওয়া, শোনা এবং গান-বাজনা ও নাচের অনুষ্ঠান করা, দেখা, শোনা ও বিবাহ অনুষ্ঠানে গান-বাজনা করা প্রত্যেকটাই হারাম, কুফরী এবং জাহান্নামী হওয়ার কারণ। উল্লেখ্য, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, গান শোনা কবীরা গুনাহ। গানের অনুষ্ঠানে যাওয়া ও বসা ফাসিকী কাজ। আর গানের স্বাধ গ্রহণ করা বা গানকে ভালো বা হালাল বলা কুফরী। নাউযুবিল্লাহ!

তাই প্রত্যেক মুসলমান উনাদের জন্য ফরয হচ্ছে- বিবাহ অনুষ্ঠানসহ প্রতি ক্ষেত্রে গান-বাজনা করা ও শোনা থেকে বিরত থাকা। আর সরকারের জন্যও ফরয হচ্ছে- ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশে গান-বাজনা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়া।

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে গান-বাজনা করাও শোনা সম্পূর্ণ নাজায়িয ও হারাম।’ কেউ কেউ বলে- ‘বিবাহ অনুষ্ঠানে গান-বাজনা করা জায়িয।’ আবার কেউ বলে- ‘ইসলামী গান যেমন নবীতত্ত্ব, মুর্শিদী, জারি ইত্যাদি জায়িয।’ নাউযুবিল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলত ইসলামী শরীয়ত উনার দলীল- পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের অকাট্য ও কেৎয়ী দলীল দ্বারা “সর্বপ্রকার গান-বাজনা” সুস্পষ্টভাবে হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তাফসীরে কুরতুবী শরীফ, তাফসীরে তাবারী শরীফ, তাফসীরে দুররে মানছুর শরীফ, তাফসীরে রূহুল মায়ানী শরীফ, তাফসীরে মাদারিক শরীফ, তাফসীরে কাশশাফ শরীফ, তাফসীরে মায়ালিম শরীফ, তাফসীরে ছায়ালাবী শরীফ ইত্যাদি কিতাবসমূহে এবং হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “আদাবুল মুফরাদ শরীফ” কিতাবে ‘লাহওয়াল হাদীছ’ বাক্য দ্বারা “গান-বাজনা”,“বাদ্য-যন্ত্র” বলে উল্লেখ করেছেন। অনুরূপ পবিত্র সূরা ফুরক্বান শরীফ, পবিত্র সূরা নজম শরীফ ও পবিত্র সূরা বনী ইস্রাঈল শরীফ উনাদের মধ্যেও “গান-বাজনা” হারাম হওয়ার ব্যাপারে পবিত্র আয়াত শরীফ উল্লেখ রয়েছে। মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরতুল আল্লামা শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “তাফসীরে আযীযী শরীফ” উনার ১ম খণ্ডের ৬৫ পৃষ্ঠায় লিখেন, “তাফসীরে মুগনী শরীফ” কিতাবে উল্লেখ আছে, ‘লাহওয়াল হাদীছ’ হচ্ছে গান-বাজনা, সঙ্গীত। এ পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা তা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। যে ব্যক্তি এটাকে হালাল জানবে সে কাফির হবে। নাউযুবিল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, গান শোনা কবীরা গুনাহ। গানের অনুষ্ঠানে যাওয়া ও বসা ফাসিকী কাজ। আর গানের স্বাধ গ্রহণ করা বা গানকে ভালো বা হালাল বলা কুফরী। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, গান শুনলে অন্তরে মুনাফিক্বী পয়দা হয় যেরূপ পানি দিলে যমীনে ঘাস উৎপন্ন হয়। নাউযুবিল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে বিবাহ অনুষ্ঠানসহ সকল স্থানেই “গান-বাজনা” করা কাট্টা হারাম। এটাকে হালাল বলা কুফরী। অর্থাৎ গান লেখা, গাওয়া, শোনা এবং গান-বাজনা ও নাচের অনুষ্ঠান দেখা ও শোনা প্রত্যেকটাই হারাম ও কুফরী এবং জাহান্নামী হওয়ার কারণ। তাই প্রত্যেক মুসলমান উনাদের জন্য ফরয হচ্ছে- বিবাহ অনুষ্ঠানসহ প্রতি ক্ষেত্রে গান-বাজনা করা ও শোনা থেকে বিরত থাকা। আর সরকারের জন্যও ফরয হচ্ছে- ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশে গান-বাজনা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়া।

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে