গান-বাজনার ক্ষতি হতে মুসলিম সমাজকে রক্ষা করা জরুরী


বর্তমানে সমাজ পরিবারকে প্রচলিত গান বাজনা এমন এক কঠিন ব্যাধী হিসেবে আক্রান্ত করেছে যে, এর থেকে মুক্ত কে বা কারা তা নির্ণয় করা মুশকিল হয়ে পড়েছে। কেউ গান করছে, কেউবা গান শুনছে, কেউবা গানের শো আয়োজন করছে, আবার কেউ গানের ব্যবসা করছে। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! অর্থাৎ গান শুনাটা বর্তমান সমাজে অন্যতম একটি বিনোদনের তথাকথিত মাধ্যম হয়েছে। অথচ গান বাজনা সম্পর্কে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কঠোর হুশিয়ার বানী এসেছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-’ আমি গান বাদ্য ও মূর্তি ছবি ধ্বংস করার জন্য প্রেরীত হয়েছি।’ সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ যিনি রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার তাশরীফি শান মুবারক প্রকাশ করেছেন যে কারনে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, গান বাজনার মূলোৎপাটন করা।
অথচ, আজ কিনা নিজেকে মুসলমান দাবি করে, মুসল্লী দাবি করে, মুসলিম পরিবার মুসলিম সমাজ দাবী করে সেখানে গান বাজনার বীজ বপন করা হচ্ছে। গান বাজনা ক্রয় বিক্রয় করা হচ্ছে। গান বাজনা করা হচ্ছে, শুনা হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! এমতাবস্থায় মরার পর কি পরিণতি হতে পারে? কিভাবে সুপারিশ মুবারক উনার আশা করা যেতে পারে? এ কারনেই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এবং হযরত সালফে সালেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম গান বাজনার ইহ পরকালীন ক্ষতিকর দিকগুলো বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। উনারা গান-বাজনাকে বহু বহু গুনাহ তথা পাপের সমষ্টি বলে বর্ননা করেছেন। যেমন- ১. নিফাক এর উৎসধারা
২. বাভিচারের কুমন্ত্রণা জাগ্রতকারী
৩. সুস্থ মস্তিষ্ক বিকৃতিকারী
৪. পবিত্র কুরআন শরীফ তিলয়াতে অনীহা সৃষ্টিকারী
৫. আখিরাতের চিন্তা নির্মূলকারী
৬. গুনাহের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টিকারী
৭. পবিত্র জিহাদী চেতনা বিনষ্টকারী। নাউযুবিল্লাহ!
বুঝা গেলো গান বাজনার মাধ্যমে মুসলমান উনাদের ঈমান আমল যেমন বিনষ্ট হয় তদ্রুপ সামাজিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়ে ফেতনা ফাসাদের জন্ম হয়। আর এমন ফেতনা ফাসাদগ্রস্ত সমাজ পরিবার থেকে ইহ-পরকালীন কল্যাণ বয়ে আনা কখনোই সম্ভব নয়।

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে