গান-বাজনা বাদ দিয়ে না’ত শরীফ পাঠ দ্বারা সমস্ত অনুষ্ঠান শুরু করতে হবে


বাংলাদেশ মুসলমানের দেশ। এ দেশে শতকরা ৯৮ ভাগ মানুষ মুসলমান। আর মুসলমানের দ্বীন হচ্ছে পবিত্র ইসলাম। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমাকে প্রেরণ করা হয়েছে মূর্তি এবং গান-বাজনা, বাদ্যযন্ত্র ধ্বংস করার জন্য।” আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “গান-বাজনা অন্তরে নিফাক্বী পয়দা করে।”
তাই পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে গান-বাজনা, বাদ্যযন্ত্র সঙ্গীত হারাম। পক্ষান্তরে নাত-ই রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলো- রহমত, বরকত, সাকীনা মাগফিরাত, নাজাতের কারণ। আর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বপ্রথম না’ত-ই রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলেন- সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা আলাইহাস সালাম উনার রচিত বিশেষ না’ত শরীফ, যা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা প্রমাণিত। ওই ব্যক্তি অবশ্যই জান্নাতী হবে, যে ওই বিশেষ না’ত শরীফ একবার হলেও মুহব্বতসহ পাঠ করবে। সুবহানাল্লাহ!
অতএব, শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশের পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার পক্ষের সরকারের উচিত সঙ্গীত দিয়ে নয়; সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিতা মাতা আলাইহাস সালাম উনার রচিত ও পঠিত বিশেষ সর্বশ্রেষ্ঠ না’ত শরীফ দিয়ে প্রত্যেক অনুষ্ঠান শুরু করা, যা রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত, নাজাত লাভের উসীলা হবে।
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি আমাদেরকে তা বাস্তবায়নের তাওফীক দান করুন। আমীন!

Views All Time
2
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে