গান-বাদ্যের ভয়াবহ লা’নত হতে দেশ-জাতিকে মুক্ত করার পদক্ষেপ নিতে হবে


নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন- “আমার উম্মত নামধারী কতিপয় লোক শরাবের নাম পরিবর্তন করে পান করা শুরু করবে। তাদের মাথার উপরে গান-বাদ্য ও নারী নৃত্য চলতে থাকবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদেরকে মাটির নিচে ধসিয়ে দিবেন। তাদেরকে বানর-শূকুরে পরিণত করে তাদের আকৃতি-বিকৃতি করে দিবেন।” (ইবনে মাজাহ শরীফ) নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! হে মুসলিম উম্মাহ! আমরা কি এমন এক যামানা অতিক্রম করছি না, যখন মানুষ বিশেষ করে মুসলমান নামধারী ফাসিক-ফুজ্জার-মুনাফিক গং শরাবের (মদ) নাম পরিবর্তন করে বিভিন্ন ড্রিংকস নাম দিয়ে পান করে যাচ্ছে। তারা শরাবে মত্ত হয়ে মাতলামি করতে থাকে আর তাদের উপরে মাইকে, স্টেজে কিংবা বড় বড় সাউন্ড বক্সে গান-বাদ্যের ঈমান বিধ্বংসী আওয়াজ চলতে থাকে। মাতাল হয়ে নৃত্য যেমন চলে, তদ্রুপ মাথার উপরে স্টেজ শো’তে নারীরা অশ্লীল অঙ্গ-ভঙ্গি করে নাচতে থাকে। এমন কুফরী-শিরকীর উন্মাতাল অবস্থা এখন কি চলছে না? অবশ্যই চলছে। তাহলে তো পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ঘোষণা মুতাবিক তাদের উপর খোদায়ী লা’নত গযব আসবেই আসবে। বহু দেশে বহুবার মাটির নিচে ধসে যাবার খবর আমরা ইতোমধ্যে শুনতে পাচ্ছি। বহু মানুষ এখন মরার আগেই আকৃতি বিকৃতি হয়ে বানর-শূকরে পরিণত হচ্ছে। এটা কি শুধুমাত্র যারা গান-বাদ্য-নৃত্য করে, নামে বেনামে শরাব পান করে তাদের উপরেই পতিত হবে? না, বরং যারা এগুলো দেখছে, শুনছে ও এসব হারাম কার্যকলাপ আয়োজনে সাহায্য-সহযোগিতা করছে এবং বোবা শয়তানের মতো এগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার ব্যাপারে নিশ্চুপ থাকছে তাদের উপরও এসব খোদায়ী আযাব-গযব লা’নত বর্ষিত হবে। অথচ কোনো ঈমানদার মুসলমান কখনোই চায় না, খোদায়ী লা’নতের সম্মুখীন হতে। আসলে যদি সত্যিই খোদায়ী আযাব-গযব লা’নত আকৃতি-বিকৃতি ইত্যাদি থেকে কেউ যদি মুক্ত থাকতে চায়, তবে সে কখনোই মুসলিম সমাজ উম্মাহ উনাদের মাঝে গান-বাদ্য-নৃত্যের প্রচার প্রসারে আনজাম হতে দিতে পারে না এবং সহযোগিতা করতে পারে না।
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে