গীবত এমন জঘন্য, যদি কেউ এ থেকে তওবা করে মারা যায়, তবুও সে সকলের শেষে বেহেশতে প্রবেশ করবে


মহিলারা অন্যদের বিষয় নিয়ে যত উৎসাহ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করে, তত উৎসাহ যদি নিজের আমল আখলাক শুদ্ধ করার কাজে দেখাত, তবে প্রত্যেকেই অলীআল্লাহ্‌ হতে পারত! কয়েকজন মহিলা একত্রিত হলেই, পরিচিত-অপরিচিত সবার হাড়ি-বাড়ির খবর চালাচালি শুরু হয়ে যায়। এর মধ্যে কোন ভালাই তো নেইই, উল্টো যে বলছে তারও গুনাহ, যে শুনছে তারও গুনাহ!
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “তোমরা অপরের গীবত করা থেকে নিজেকে সংযত বা বিরত রাখো। কেননা, গীবতের মধ্যে তিনটি মারাত্মক ক্ষতিকর বিষয় রয়েছে। এক. গীবতকারী ব্যক্তির দোয়া কবুল হয় না। দুই. গীবতকারী ব্যক্তির কোনো নেক আমল আল্লাহ পাক উনার কাছে গৃহীত হয়না। তিন. গীবতকারী ব্যক্তি পদে পদে গুনাহর মধ্যে লিপ্ত হয়।”
হযরত কা’ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, “আমি কোনো এক আসমানী কিতাবে পড়েছি, যে, ‘গীবত এমন এক জঘন্য অপরাধ যদি কেউ এ থেকে তওবা করে মারা যায়, তবুও সে সকলের শেষে বেহেশতে প্রবেশ করবে। আর যদি গীবতের গুনাহে লিপ্ত থেকে মারা যায়, তাহলে সে দোযখের সর্বপ্রথম প্রবেশকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।” নাঊযুবিল্লাহ!
অতএব, কেউ কারো গীবত করে থাকলে প্রথমত যার গীবত করা হয়েছে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয়া উচিত। ক্ষমা চাওয়া সম্ভব না হলে তার জন্য দোয়া করা উচিত এবং সেই সাথে খালিছভাবে আল্লাহ পাক উনার নিকট তওবা করা উচিত।
Views All Time
2
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে