গুগল-ফেসবুকের তথ্য চুরি করে যুক্তরাষ্ট্র!


 

 

গুগল, ফেসবুক, ইউটিউব, মাইক্রোসফট, অ্যাপলসহ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিভিন্ন ইন্টারনেট জায়ান্ট ও প্রতিষ্ঠানের সার্ভারে সরাসরি প্রবেশ করে তথ্য সংগ্রহ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি (এনএসএ)।

প্রিজম নামে গোপন এক কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্ভারে প্রবেশ করেছে এনএসএ। সার্চ হিস্ট্রি, ইমেইলের আধেয়, ফাইল ট্রান্সফার ও লাইভ চ্যাটসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছে এনএসএ।

২০০৭ সাল থেকে বিভিন্ন কোম্পানির তথ্যাগারে সরাসরি প্রবেশ করে আসছে এনএসএ। ‘আপনার গোপনীয়তা আমাদের অগ্রাধিকার’ স্লোগানের ধারক মাইক্রোসফটের সার্ভারে সবার আগে প্রবেশ করে এনএসএ। এর পরে ২০০৮ সালে ইয়াহু, ২০০৯ সালে গুগল, ফেসবুক ও পালটকের সার্ভারে ঢুকে তথ্য সংগ্রহ করে মার্কিন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। ২০১০ সালে ইউটিউব, ২০১১ সালে স্কাইপি ও এওএল এবং সবশেষ অ্যাপেলের তথ্যাগারে প্রবেশ করে এনএসএ।

কিন্তু সরকারের এ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে পুরোপুরি জানত না বলে দাবি  করেছে ওইসব প্রতিষ্ঠান। এক বিবৃতিতে গুগল বলেছে, “ব্যবহকারীদের তথ্যের নিরাপত্তার বিষয়টি খুবই সতর্ক গুগল। আইন মেনে আমরা সরকারের কাছে ব্যবহারকারীদের তথ্য উন্মুক্ত করি এবং সেসব আবেদন খুবই সতর্কভাবে বিবেচনা করি। কিন্তু সময়ে সময়ে জনগণ অভিযোগ করে যে আম‍াদের ব্যবস্থায় সরকারের জন্য একটি ‘পেছনের দরজা’ তৈরি করে দেওয়া হয়েছে কিন্তু গুগল ব্যবহারকারীদের তথ্যে সরকারের প্রবেশের জন্য পেছনের দরজা তৈরি করে দেয়নি।”

প্রিজম বা এরকম কোনো কর্মসূচি সম্পর্কে জ্ঞাত নয় প্রযুক্তি বিষয়ক নির্বাহী কর্মকর্তারা। তারা দাবি করছে, এ ধরনের কর্মসূচির সঙ্গে তারা জড়িত নন। এক কর্মকর্তা বলেছে, “যদি তারা এমনটি করে থাকে তাহলে আমাদের অজ্ঞাতেই করেছে।”

অ্যাপেল এক মুখপাত্র বলে, “অ্যাপেল কখনও প্রিজমের নাম শুনেনি।”

উল্লেখ্য, উত্তরসূরি প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের একটি পর্যবেক্ষণ আইন নবায়ণ করার মাধ্যমে ওবামা সরকার ইন্টারনেট জায়ান্ট ও প্রযুক্তিভিত্তিক কোম্পানিগুলোর তথ্যাগারে বিচরণ করতে পেরেছে।

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+