“গোলামের ছেলে গোলাম” সম্মানিত ওয়াক্বিয়া মুবারক


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের এবং সম্মানিত হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি কতটুকু মুহব্বত মুবারক পোষণ করতে হবে এবং উনাদেরকে কতটুকু তা’যীম-তাকরীম মুবারক করতে হবে সে প্রসঙ্গে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দ্বিতীয় খলীফা, আমীরুল মু’মিনীন, ফারূক্বে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত উমর বিন খাত্তাব আলাইহিস সালাম উনার ছেলে, বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ বিন উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়া’লা আনহু তিনি সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, লখতে জিগারে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনার সাথে চলাফেরা, উঠাবসা করতেন। কোনো এক প্রসঙ্গে সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, লখতে জিগারে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম) তিনি উনাকে বলেছিলেন, ‘গোলামের ছেলে গোলাম’। এটা শুনে তিনি বিষয়টার সম্মানিত শরয়ী ফায়সালার জন্য উনার সম্মানিত পিতা যিনি আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফা উমর ফারূক্ব আলাইহিস সালাম) উনাকে জানালেন, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, লখতে জিগারে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম তিনি আমাকে বলেছেন, ‘গোলামের ছেলে গোলাম’। এখন আমার জানার বিষয় হচ্ছে- আমি কি প্রকৃতপক্ষেই গোলামের ছেলে গোলাম হতে পেরেছি..?

আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, বেশ ভালো কথা। এ বক্তব্যের সম্মানিত শরয়ী ফায়সালা করতে হলে মৌখিকভাবে বললে হবেনা বরং লিখিত আনতে হবে, কাগজে-কলমে থাকতে হবে।

ছাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ বিন উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়া’লা আনহু তিনি সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, লখতে জিগারে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনার নিকট গিয়ে বললেন, হে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম! আপনি যে আমাকে বলেছেন, ‘গোলামের ছেলে গোলাম’ এটা লিখিত দিতে হবে কারণ আমি এই বক্তব্যের সম্মানিত শরয়ী ফায়সালার জন্য আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার কাছে আরজি পেশ করেছি। সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, লখতে জিগারে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন হ্যাঁ, আমি লিখিত দিবো। সত্যিই তিনি একটা কাগজে লিখে দিলেন, ‘গোলামের ছেলে গোলাম’। তখন সেই কাগজ মুবারকটি নিয়ে আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার কাছে পেশ করা হলো। তিনি বললেন, ঠিক আছে, আমি এই বিষয়টির সম্মানিত শরয়ী ফায়ছালা বর্ণনা করবো।

এই বিষয়টি নিয়ে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়া’লা আনহুম উনারা সকলেই চিন্তিত হলেন যে, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি জালালী তবিয়ত এবং ইনছাফগার হিসেবে মশহূর। আরো তিনি হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশিষ্ট ছাহাবী এবং সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে দ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব মুবারক।

একদিকে সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, লখতে জিগারে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম তিনি আর অপরদিকে আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি। সকলেই চিন্তিত হলেন, বিষয়টির সম্মানিত শরয়ী ফায়সালা কি?

আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি তো অনেক সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম তাহক্বীক করে সম্মানিত শরয়ী ফায়সালা দিয়ে থাকেন। তিনি এই বিষয়ে কি ফয়সালা দিবেন?

সম্মানিত শরয়ী ফয়সালার জন্য নির্দিষ্ট স্থান, সময়, দিন, তারিখ সব ঘোষণা করা হলো। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়া’লা আনহুম, হযরত তাবিয়ীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম যাঁরা ছিলেন সকলেই সেখানে জমা হয়ে গেলেন যে, কি ফয়সালা দেয়া হয় সেটা জানার জন্য।
এ দিকে সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, লখতে জিগারে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম তিনি সেখানে উপস্থিত হলেন। তখন আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনাকে অত্যন্ত তা’যীম-তাকরীম মুবারক উনার সহিত একটা সম্মানিত আসন মুুুুবারকে বসালেন। আর ছাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ বিন উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়া’লা আনহু যখন আসলেন, উনাকেও এক পাশে বসালেন। সম্মানিত ফায়সালার নিদিষ্ট সময় যখন উপস্থিত হলো, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার কোর্তা মুবারক-এর পকেট থেকে একখানা কাগজ মুবারক বের করে বললেন যে, এই কাগজ মুবারকটি আমার কাছে পৌঁছানো হয়েছে যার মধ্যে লিখিত রয়েছে ‘গোলামের ছেলে গোলাম’।

 

এই কাগজ মুবারকটি দিয়েছেন আমার ছেলে হযরত আব্দুল্লাহ বিন উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়া’লা আনহু তিনি। উনার বক্তব্য হচ্ছে- সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, লখতে জিগারে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম তিনি উনাকে বলেছেন- ‘গোলামের ছেলে গোলাম’।

এই বিষয়ে সম্মানিত শরয়ী ফায়সালার জন্য এই কাগজ মুবারকটি আমার নিকট পেশ করা হয়েছে। আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, লখতে জিগারে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনাকে অত্যন্ত আদবের সাথে জিজ্ঞাসা করলেন, এটা কি আপনি লিখেছেন? তিনি বললেন যে, হ্যাঁ, এটা আমার লিখিত, আমি বলেছি এবং লিখেছি। যখন জিজ্ঞাসা করে উনার স্বীকৃতি মুবারক নেয়া হলো তখন বিষয়টা সবাইকে জানানো হলো যে, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, লখতে জিগারে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম তিনি দয়া করে এ কথা মুবারক বলেছেন এবং দয়া করে তা লিখেও দিয়েছেন। এটা সকলেই শুনলেন।

তখন আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন যে, এখন এই বিষয়টির সম্মানিত শরয়ী ফায়ছালা করা হবে। সকলেই অত্যান্ত মনোযোগ দিয়ে শুনতে থাকলেন। মনে হয়েছে যেনো বাতাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে, সকলেই একদৃষ্টিতে আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। এই বিষয়টির শরয়ী ফায়সালা কি..? এবং তিনি কিভাবে ফায়সালা করেন..?

আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি ঘোষণা করলেন, এই যে কাগজ মুবারক যার মধ্যে লিখিত রয়েছে, ‘গোলামের ছেলে গোলাম’। এর অর্থ হচ্ছে আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন গোলাম আর উনার ছেলে হচ্ছেন ‘গোলামের ছেলে গোলাম’।

এই বিষয়টির সম্মানিত শরয়ী ফায়সালা হচ্ছে- আপনারা সকলেই সাক্ষী থাকুন, আমি আমার যিন্দিগীর অনেক সময় অতিবাহিত করেছি, পূর্ববর্তী কুফরী যিন্দিগী বাদ দিয়েছি, আমার অতীতের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি যা ছিলো সেটা আমি ত্যাগ করেছি, সম্মানিত শরীয়ত নির্দেশ বহির্ভূত আহলিয়া ছিলো তাদেরকেও পরিত্যাগ করেছি একমাত্র খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক উনাদের জন্য। আমার চাওয়া এবং পাওয়ার বিষয় এটাই ছিলো যে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যতোটুকু দিয়েছেন ততোটুকু পাওয়া হয়েছে। তবে আমার একটা লিখিত দলীল প্রয়োজন ছিলো, যে লিখিত দলীলের আমি প্রত্যাশা করেছিলাম। আজকে সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, লখতে জিগারে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম তিনি এটা লিখিত দিয়েছেন। এখন থেকে আমি নিশ্চিত হয়ে গেলাম যে, আমি উনাদের গোলাম। সুবহানাল্লাহ!

কাজেই, আপনাদের প্রতি আমার ওছীয়ত মুবারক হচ্ছে- আমি যখন ইন্তিকাল (সম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ) করবো, তখন এই সম্মানিত কাগজখানা আমার কাফনের ভিতরে আমার সিনা মুবারক উনার উপর রেখে দিবেন। সুবহানাল্লাহ! যা দ্বারা আমি ক্বিয়ামতের দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে আরজু করবো যে, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার যিনি লখতে জিগার সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম তিনি আমাকে লিখিত দিয়েছেন ‘আমি আপনাদের গোলাম’। কাজেই, আমার আমল যা-ই রয়েছে কমপক্ষে এই সম্মানিত দলীলের খাতিরে আমাকে গোলাম হিসেবে কবুল করুন। সুবহানাল্লাহ!

আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি যখন এই ফায়সালা মুবারক করলেন, তখন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়া’লা আনহুম এবং হযরত তাবিয়ীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মধ্যে সেখানে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন উনারা সকলেই সম্মানিত হযরত আহলু বাইত আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত মুহব্বত মুবারক এবং সম্মানিত তা’যীম-তাকরীম মুবারক দেখে আশ্চর্য হলেন, ইত্বমিনান হলেন এবং সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি কতটুকু মুহব্বত মুবারক পোষন করতে হবে এবং কতটুকু তা’যীম-তাকরীম মুবারক করতে হবে, সে বিষয়ে হাক্বীক্বী ইবরত-নছীহত মুবারক হাছিল করলেন।” সুবহানাল্লাহ্

এই সম্মানিত ওয়াক্বিয়া মুবারক উনার মাধ্যম দিয়ে আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের হাক্বীক্বী শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক প্রকাশ করলেন এবং উনাদের প্রতি কতটুকু মুহব্বত মুবারক পোষন করতে হবে এবং কতটুকু তা’যীম-তাকরীম মুবারক করতে হবে, সে বিষয়ে সমস্ত মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জ্বিন-ইনসান কায়িনাতবাসী সবাইকে হাক্বীক্বী ইবরত-নছীহত মুবারক তা’লীম বা শিক্ষা দিলেন। সুবহানাল্লাহ্

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে